Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

মন্টি মনি  আড্ডা দিতে ভালোবাসি, ভালোবাসি প্রিয় মানুষটির হাত ধরে ঘুরতে | আর ভিষণ কষ্ট পাই কেও অবহেলা করলে....

মহাগুরু

স্বামী ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে সমস্যা হতে পারে তবে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কিন্তু যদি তাদের রক্ত বিপরীত গ্রুপের হয় তাতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।যদি এরকম হয় মায়ের যেকোনো মানের পসিটিভ ( এ+,বি+, এবি+,ও+) আর বাবার পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যেকোনো ধরনের হয়ে থাকে তাহলে সন্তানের উপর কোনো ঝুকি নেই ! কিন্তু যদি এরকম হয় মায়ের নেগেটিভ (এ-,বি-,এবি-,ও-) আর বাবার ও নেগেটিভ তাহলেও কোনো ঝুকি নেই ! কিন্তু যদি এইক্ষেত্রে মায়ের যেকোনো ধরনের নেগেটিভ কিন্তু বাবার এর পরিবর্তে যেকোনো ধরনের পসিটিভ হয় (এ+,বি+,এবি+ও+) তাহলে সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে ঝুকি থাকে এবং তার পরিমান শতকরা ১৬% এর মত ! আর এর ফলে থালাসেমিয়া সহ সন্তানেরা বিভিন্ন শারীরিক কিংবা মানুষিক দিক থেকে বাধাগ্রস্থ হতে পারে !

মৃন্ময়ী সাবিহা  লিখতে না জানলেও কোন একদিন বড় লেখিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখি.......... :)

মহাগুরু

সাধারনত লোহিত রক্তকনিকার প্লাজমা মেমব্রেনে Rh ফ্যাক্টরের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।যা হল Rh- ও Rh+ Rh+ পুরুষ এবং Rh- মহিলার বিয়ে হলে তাদের প্রথম সন্তান হবে Rh+,কারন এটি প্রকট বৈশিষ্ট!ভ্রুন অবস্থায় সন্তানের ফ্যাক্টর যুক্ত লোহিত কনিকা অমরার মাধ্যমে মায়ের রক্তে এসে পৌছাবে,ফলে মায়ের রক্ত Rh+ হওয়ায় তার রক্তরসে Rh-অ্যান্টি ফ্যাক্টর উত্‍পন্ন হবে!অ্যান্টি ফ্যাক্টর মায়ের রক্ত থেকে অমরার মাধ্যমে ভ্রুনের রক্তে প্রবেশ করলে ভ্রুনের লোহিত রক্তকনিকাকে ধংস করে,ভ্রুন বিনষ্ট হয় ও গর্ভপাত ঘটে!এ অবস্থায় শিশু জীবিত থাকলেও তার দেহে প্রচন্ড রক্তস্বল্পতা ও জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয়!তাই বিয়ের আগে হবু বর বউয়ের রক্ত পরীক্ষা করা উচিত এবং একই Rh ফ্যাক্টর ভুক্ত অর্থাত্‍ হয় Rh+ নয়ত Rh- হওয়া উচিত!

সমস্যা হয় কেবল একজনের রক্ত পসিটিভ এবং আরেকজনেরটা নেগেটিভ হলে। না হলে "সাধারণত"সমস্যা হয় না। ধরন ১ঃ ধরেন বাবা পসিটিভ, মা নেগেটিভ, গর্ভের সন্তান আবার পসিটিভ--এ ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয় এবং গর্ভের নেকস্ট সন্তানও যদি পজিটিভ হয় তবে সেই সন্তান আক্রান্ত হবে। যদিও এখন এর সহজ সমাধান ও "টিকা" আছে। ধরণ ২ঃ স্বামী পজিটিভ, বউ নেগেটিভ। কিন্তু বউয়ের মা পজিটিভ ছিল। সেক্ষেত্রে, বউয়ের শরীরে পসিটিভ রক্তের বিরুদ্ধে এন্টিবডি থাকবে। তখন যদি তার প্রথম সন্তান পজিটিভ রক্তের হয় তখন সমস্যা হবে। যদিও সবই এখন নিরাময় যোগ্য। --আবার বলছি, কে কোন রক্তের গ্রুপ সেইটা ফেক্টর না, ফেক্টর কে কোন ধরণের রক্তের অধিকারী। স্বামী বউ দুই জনেই "বি" গ্রুপের হতে পারে, কিন্তু একজন বি পজিটিভ আর আরেকজন বি নেগেটিভ হলেই সমস্যা হবে।

আব্দুল্লা আল নোমান  এক বাক্যে পারবনা তাই আর বললাম না

পন্ডিত

যদি স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পসিটিভ নেগেটিভ হয় তাহলে প্রথন সন্তান স্বাভাবিক হলে ও দ্বিতীয় সন্তান অস্বাভাবিক হয় কারণ প্রথন সন্তান জন্ম এর সময় মায়ের গর্ভে ১টি আন্টি বডি তৈরী হয় যা বাকি সন্তান গুলোর উপর প্রভাব ফেলে.....আর একই গ্রুপ হলে সন্তান এর উপর যেমন A+ & A+ হলে কিছু কিছু সময় প্রভাব পরে

rajbe  

গুণী

ধন্যবাদ এমন সুন্দর পোস্ট করার জন্য। আমি অনেক দিন ধরে এই রকমের একটি পোষ্ট খুঁজছিলাম। আপনার এই পোস্ট অনেক উপকারে আসবে আমার বিশ্বাস। এর আগেও একটা টিপস্ পেয়েছিলাম। এই টিপসইটও অনেক উপকারী। যার দরকার হবে দেখতে পারেন। আবারো লেখককে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। তবে এরকম আরো একটি লেখা পড়েছিলাম ।। এখানে> http://muktomoncho.com/archives/2760


অথবা,