Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

টপিক বাছাই করুন

+ আরও

শামীম ইকবাল  আমি নিভৃতচারী নক্ষত্রের কথা বলছি-

মহাগুরু

দারুন ভাবে প্রশ্নটা করেছেন দীপ্তি আপু..আসলে এই রকম ঘটনা শহরে কিংবা গ্রামে গঞ্জে এখন ও অহরহ ঘটতেছে.তবে আমার মনে হয় এই ক্ষেত্রে বাবা-মা দায়ী.কারণ কিছুদিন আগে একটা পত্রিকার কলামে পড়েছিলাম..এই সব ঘটনা গুলো সেই সব ফ্যামিলি তেই বেশী বেশী ঘটে যেই সব ফ্যামিলি তে বাবা-মা ২ জনেই চাকরি করে যার দরুন ছেলে মেয়ে কখন কি করতেছে তা দেখার মত সময় বাবা-মায়ের হয়ে উঠেনা..তাই আমার মনে হয় প্রতিটা ছেলে-মেয়ের বয়সন্ধিকালে পিতা-মাতার দায়িত্বটা গুরত্বের সাথে নিতে হবে..ঐ সময় যেন ছেলে মেয়েরা খারাপ কিংবা বাজে বন্ধু-বান্ধব এর সাথে চলা ফেরা থেকে মুক্ত থাকে তারজন্য একমাত্র বামা-মাকেই মনে করতে হবে তাদের ছেলে-মেয়ে তাদের সন্তান হলেও অনেকটা বন্ধুর মত-- বয়সন্ধিকালে ছেলে মেয়েরা যদি বিশেষ করে বাবা-মায়ের সাথে ফ্রি হয়ে কথা বলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের সমস্যা নিয়ে বাবা-মায়ের সাথে শেয়ার করতে পারে তাহলে তাদের মতিভ্রম এড়াতে পারবে..

ইসরাত  আমার কাছেই সকল কথা অন্তরঙ্গ বলছি একা এমনি ভাবে বলেই যাব।

মহাগুরু

বয়সন্ধিকালে আবেগ তাই বেশি কাজ করে |ঠিক বেঠিকের বোধ তখন মাথায় থাকেনা |এখনত বাবা মা রা সন্তানের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করে তাদের মনের যে ইতি বা নেতি বাচক পরিবর্তন ঘটছে তা সহজেই বুঝতে পারেন | আর যে মা রা বাইরে কাজ করেন তাদের অনুরোধ করব তারা যে টুকু সময় সন্তানকে দেন সেটা ফুল ফোকাস হয় | সন্তানের বোঝাতে হবে কেন আমরা মা রা বাইরে কাজ করছি | এবং সে জন্য যে আমরা তাদের কত মিস করি সেটা জানাতে হবে | একবার এই রকম ভুল করলে আর যে কোনভাবেই এর থেকে বের হয়ে আসা যাবেনা | তারা কাদের সাথে মিশছে সেটা জানতে হবে তাদের অগোচরে |সব চেয়ে বড় আমরা তাদের সব চেয়ে বড় বন্ধু আর তদের বাড়িটা তাদের অভয়ারণ্য এটা বোঝাতে হবে |

লীনা জাম্বিল  অতি সাধারন

মহাগুরু

আবেগকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা বা কৌশল জানেনা বিধায় এমনটি ঘটে । বাস্তবতা হলো মৌলিক মানবিক গুনাবলীর সুস্ঠু গঠন দরকার তবেই সম্ভব বলে আমি মনে করি --

অসমাপ্ত কাব্য  চরম...:p

পন্ডিত

ছেলে মেয়েকে শাসন দিয়ে নয়,ভালবাসা দিয়ে বুঝান এবং তার মতের গুরুত্ব দিন... ভালো খারাপ দুটি দিকই ব্যাখ্যা করুন... স্বাধীন ভাবে বাঁচার এবং চিন্তা করার সুযোগ দিন... সন্তান যখন বুঝতে পারবে বাবা মা তার জন্য চিন্তা করছে এবং তার মতের গুরুত্ব দিচ্ছে তখন সেও ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বাবা মায়ের কথা চিন্তা করবে।

মায়াবতীর ছায়াসঙ্গী  কাজ কি সখী ঢোলের বাদ্য, মাঝখানে তার বেজায় ফাঁক II

মহাগুরু

কোনো শিক্ষনীয় কিছু নেই যা দিয়ে এই মতিভ্রম দূর করতে পারে. এখানে পুরো ব্যপারটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে অভিবাবকরা তাদের জ্ঞান আর বুদ্ধি দিয়ে সন্তানদের ভালো বন্ধু হয়ে. সন্তাদের মাঝে এমন একটা অনুভূতি দিতে পারতে হবে ওরা যেন সব কিছু এমন কি ওদের অন্যায় চিন্তা গুলোও ওরা নির্ভয়ে শেয়ার করেতে পারে অভিবাবকদের সাথে. উধাহরণ হিসেবে বলছি আমার বড় ২ ছেলে কেও সামনে না থাকলে আমার সাথে বসে স্মোক করে. জানি স্মোক ভালো না. যে কাজ আমি করি সে কাজে বাধা দিতে হলে দুরে না সরিয়ে কাছে রেখে বুঝানোর চেস্টা করছি. বয়সন্ধিকালে এমন করা একটা ভুলের জন্য আমার ভালবাসার মানুষটার বুকে যে গভীর ক্ষত জন্ম নিয়েছে আমি আমার জীবনের সব ভালবাসা উজার করে দিয়ে সে ক্ষত সারিয়ে তোলার চেস্টা করছি. আমার এই চেস্টা ইন-সা-আল্লাহ চলবে অনন্তকাল. মায়াবতী আমি তোমার পাশে আছি অনেক অনেক আদর আর ভালবাসা নিয়ে. আমি তোমাকে হারতে দিবনা কারো কাছে এমন কি তোমার নিজের কাছেও. আমার মায়াবতী আমি তোমাকে পাগলের মত ভালবাসি.


অথবা,