Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

আজমি ইতু  ভালবাসি স্বাধীনভাবে বাঁচতে.

মহাগুরু

চাইলেই একজন মানুষের শরীর থেকে আরেকজন মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন করা যাবে না। তার কারণ মানুষের রক্তের বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে। রক্তের লোহিতকণায় ও রক্তরসে রাসায়নিক উপাদানগত কিছু তারতম্য রক্তের এই শ্রেণীবিভাগের কারণ।বিভিন্ন ধরনের রক্তগ্রুপ থাকলেও রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ABO গ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ।রক্তের লোহিতকণার আবরণে বিশেষ বিশেষ ধরনের যৌগিক পদার্থ থাকে যাকে বলে অ্যান্টিজেন। দুই ধরনের অ্যান্টিজেন রয়েছে। একটির নাম A অপরটির নাম B|রক্তের লোহিতকণার আবরণে শুধুমাত্র A অ্যান্টিজেন থাকলে রক্তের গ্রুপ হবে A, শুধুমাত্র B অ্যান্টিজেন থাকলে রক্তের গ্রুপ হবে B, A ও B উভয় অ্যান্টিজেন থাকলে রক্তের গ্রুপ হবে AB আর A বা B কোনো অ্যান্টিজেন-ই না থাকলে রক্তের গ্রুপ হবে O|এভাবে এন্টিজেন ও এন্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে সমগ্র মানবজাতির রক্তকর চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয় । যথা : এ, বি, এবি এবং ও ।যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির রক্তে যে এন্টিজেন নেই, শুধু সেই এন্টিবডি সেখানে পাওয়া যাবে । অর্থাৎ এ গ্রুপে এ এন্টিজেন, বি গ্রুপে বি এন্টিজেন এবং এবি গ্রুপে এ ও বি উভয় এন্টিজেন থাকে । ও গ্রুপের রক্তে কোন এন্টিজেন নেই কিন্তু রক্তরসে এ ও বি দুরকম এন্টিবডিই থাকে । প্রতিটি এন্টবডি তার সমগোত্রীয় এন্টিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে রক্তকে জমাট বাঁধায় অর্থাৎ এন্টিবডি এ, ্এন্টিজেন এ এর সাথে এবং এন্টিবডি বি, এন্টিজেন বি এর সাথে বিরূপ বিক্রিয়া ঘটায় । এজন্য রক্ত গ্রহণ ও প্রদানের পূর্বে অবশ্যই রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করতে হয় । এ গ্রুপের রক্তের এন্টিবডি বি গ্রুেপর লোহিত কণিকাকে জমিয়ে দেয় । তদ্রূপ বি গ্রুপের রক্তের এন্টিবডি এ গ্রুপের রক্তের লোহিত কণকাকে জমিয়ে দেয় । কিন্তু এবি গ্রুপের রক্তের প্লাজমায় কোন এন্টিবডি না থাকায় অন্য গ্রুপের রক্তকে জমাতে পারে না । এজন্য এবি গ্রুপধারী মানুষ যেকোন গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করতে পারে । তাই এবি গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা গ্রুপ বলা হয় ।আবার ও গ্রুপের রক্তের লোহিত কণিকায় কোন এন্টিজেন না থাকায় অন্য যে কোন গ্রুপের রক্তের সাথে সহজেই মিশতে পারে । তাই ও রক্ত গ্রুপের মানুষ যেকোন গ্রুপধারী মানুষকে রক্ত দিতে পারে । এজন্য ও গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা গ্রুপ বলা হয ।উল্লেখ্য যে, ও গ্রুপ অন্য সকল গ্রুপকে রক্ত দিতে পারে কিন্তু অন্য কোন গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে না এবং এবি গ্রুপ অন্য সকল

সজিব  দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ আমি|কারণ আমি আমার কষ্টের আকাশকে হাসির মেঘ দিয়ে আড়াল করতে পারি|আর সেই মেঘের বর্ষন ঘটায় জনশূন্য কোনো নির্জন স্থানে!

পন্ডিত

রক্ত গ্রুপ বা (ব্লাড গ্রুপ বা ব্লাড টাইপ) হল কার রক্ত কাকে দান করা যাবে তার উপর নির্ভর করে করা রক্তের প্রকারভেদ। এটি আসলে নির্ভর করে রক্ত কোষগুলির কোষপর্দায় উপস্থিত অ্যান্টিজেনগুলির ধরণের উপর। রক্তের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যায় লোহিত রক্ত কণিকা থাকে বলে তাদের কোষপর্দায় কি কি অ্যান্টিজেন আছে তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক ব্লাডগ্রুপ অ্যান্টিজেনই নানা কোষের কোষপর্দায় থাকে বা অনেকসময় শ্লেষ্মা ইত্যাদির মধ্যে ক্ষরণপদার্থ হিসাবেও থাকে। একটি লোকাসে (ক্রোমোজোমের উপর জিন গত অবস্থান) আবস্থিত সবকটি সাম্ভাব্য অ্যালিলকে নিয়ে হয় এক একটি ব্লাড গ্রুপ সিস্টেম এ-বি-ও ব্লাড গ্রুপ সিস্টেম এবং আরএইচ ডি (Rh D) ব্লাড গ্রুপ সিস্টেম এই দুটি সবচেয়ে বিখ্যাত ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলেও মানুষের বেলায় এরকম ২৯টি[১] ব্লাড গ্রুপ সিস্টেমকে আই এস বি টি (International Society of Blood Transfusion) অনুযায়ী মানা যেতে পারে। এই ২৯টি সিস্টেমে মোট ৬০০রও বেশী অ্যান্টিজেন আছে। তবে এই ৬০০টির অনেকই খুব দুষ্প্রাপ্য বা কোনো বিশেষ জাতির বাইরে দেখা যায় না। রক্ত দান করার সময় গ্রহীতার রক্তে দাতার রক্ত মেশবার সময় গ্রুপ গ্রহনযোগ্য (কম্প্যাটিবল্ বা ম্যাচিং) হবে না যদি গ্রহীতার রক্তরসে অবস্থিত অ্যান্টিবডি দাতার কোষের উপরস্থ অ্যান্টিজেনকে চিনতে পারে, পারলে গ্রহীতার অ্যান্টিবডির আক্রমণে দাতার রক্তকোষগুলি তাল পাকিয়ে জমাট (হিম-অ্যাগ্লুটিনেশন) বেঁধে যাবে বা ফেটে নষ্ট (হিমো-লাইসিস) হয়ে যাবে। দাতার রক্তের অ্যান্টিবডি ততটা বেশী গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ সাধারণতঃ দাতার অ্যান্টিবডি গ্রহীতার রক্তরসে মিশে গেলে দাতার অ্যান্টিবডির ঘনত্ব গ্রহীতার কোষেগুলির অতটা ক্ষতি করতে সক্ষম হয়না। দাতার কোষগুলি "প্যাকড সেল" হিসাবে দিলে রক্ত রস এমনিতেই কম দেওয়া হচ্ছে। তবে খুব বেশী পরিমাণ দাতার প্লাজমা (রক্তরস) দিতে হলে কিন্তু প্লাসমার গ্রহণযোগ্যতাও দেখতে হবে, এবং ক্ষেত্রে দাতার অ্যান্টিবডি আর গ্রহীতার অ্যান্টীজেনের মধ্যে মিল থাকলে চলবে না। সাধারণতঃ কোনো নীরোগ ব্যক্তির নিজের রক্তকোষে যে অ্যান্টিজেন থাকে তার বিরুদ্ধে অ্যান্টীবডি তৈরি হয় না। এ বি ও সিস্টেমের বেলায় নীরোগ ব্যক্তির নিজের রক্তকোষে যে অ্যান্টীজেন থাকে না তার বিরুদ্ধে অ্যান্টীবডি আগে থেকেই থাকে (দুর্বোধ্য কারণে) এবং সেই অ্যাণ্টীজেন ধারী কোষকে দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ করে, আর

রিংকু  প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে :P

মহাগুরু

রক্তের গ্রুপের ভিন্নতার কারণ হল লোহিত কনিকার ঝিল্লিতে এন্টিজেনের উপস্থিতি । এন্টিজেনগুলো ব্লাড গ্রুপ সিস্টেমভেদে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, গ্লাইকোপ্রোটিন, বা গ্লাইকোলিপিড হতে পারে । এই এন্টিজেনগুলো মানুষ বংশগতভাবে পেয়ে থাকে । তাই সবার রক্তের গ্রুপ একই হয় না । আর ঠিক এই ভিন্ন ভিন্ন এন্টিজেনের উপস্থিতির কারন টার জন্নই সবাই সব গ্রুপের রক্ত গ্রহন করতে পারেনা।

লীনা জাম্বিল  অতি সাধারন

মহাগুরু

রক্তের উপাদানের তারতম্যের কারনে রক্তের গ্রুপ এক না হলে তা নেয়া যায়না ।


অথবা,