Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

টপিক বাছাই করুন

+ আরও

আড়াল থেকেই বলছি  সীমানাহীন গন্তব্যে এখনো হাঁটছি একাকিত্বের লাঠি হাতে ....

মহাগুরু

প্রথম করণীয় হলো সন্দেহের কারণ টি খোঁজে বের করা l সন্দেহের কারণটি যদি ছেলে/মেয়েদের প্রতিদিন স্কুল,কলেজ কিংবা ভার্সিটি থেকে বাসায় আসার বিলম্ব থেকে হয় তাহলে বাবা-মায়ের সন্দেহ দূরীভূত করার জন্য প্রতিদিন ঠিক সময়ে বাসায় ফিরতে হবে l আর যদি অন্য কোনো কারণে যেমন মেয়েবন্ধুর সাথে ছেলে বন্ধুর আড্ডা কিংবা বেশী বেশী ঘোরা-ঘোরির পরিবর্তন থেকে হয় তাহলে তাতেও ছেলে/মেয়েদেরকে সতর্ক ভুমিকা পালন করতে হবে যেন কোনো ভাবেই মা-মায়ের দৃষ্টি গোজর না হয় l

মিকু  simple

মহাগুরু

সরাসরি কথা বলতে হবে। সন্দেহ করতেই পারে... অস্বাভাবিক না। আপনি মা হলে আপনিও করবেন। সুতরাং আপনার বাবা মায়েরটাও স্বাভাবিক। তাদের সাথে কথা বলুন। তারা কি ভিত্তিতে সন্দেহ করে সেগুলা শুনুন। ভুল হলে ভেঙ্গে দিন। যুক্তি দিন। বুঝিয়ে বলুন। আর আপনার যদি কিছু লুকানোর থাকে, তাহলে আমি বলবো না লুকানোই শ্রেয়। সরাসরিই বলে দেওয়া উচিত। সরাসরি কথা বলতে পারাটা কিন্তু একটা ভালো গুণ।

গাজী আজিজ  বাংলাদেশের বোকাসোকা একজন মানুষ। ।

মহাগুরু

মা বাবার সন্দেহের মাঝে কিছু হেতু অবশ্যই থাকে। মা বাবার ভুল হলে, তাদেরকে বুঝায়ে বলুন। মা বাবা অবশ্যই আপনার কথা বুঝবে। আর যদি মা বাবার সন্দেহ সত্য হয়, তাও খুলে বলুন। তাতে আপনি আপনার মা বাবার অভিব্যাক্তি বুঝতে পারবেন। আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আপনার কি করা উচিত। সর্বদা মা বাবার বিশ্বস্ত থাকুন।

অনি  একজন সাধারাণ মানুষ

মহাগুরু

@নাজমা আক্তার স্মৃতি, ধন্যবাদ মা বাবা ভুল করেন, না বলে সন্দেহ করেন বলার জন্য। প্রথমে সন্দেহের কারণটি খুজে নিন, তারপর সেটার ভিত্তিহীনতা প্রমাণ করুন এবং আমার কাছে সেটা সহজই মনে হয়, কারণ মা বাবার বুদ্ধি বিবেচনায় অন্যরকম।

প্যাঁচা  ভয় লাগে নাকি ভয় করে!!!...হুমমম...

মহাগুরু

যদি এটা আমার ক্ষেত্রে হত তাহলে আমি যা করতাম সেটা বলি। আমি এটা বুঝেও না বোঝার ভান করতাম আর নিজের লাইফের প্রতি মনোযোগী/উদাসীন হতাম।হাহাহাহা...কারণ আমার লাইফ আমার এবং তার ভাল-মন্দ কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে না কিন্তু লাইফের ভাল/মন্দ ফল সবাইকে আনন্দ/কষ্ট দিতে পারে।তাই কে কি ভাবছে তার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আমি আসলে কি করছি।কর্ম ঠিক থাকলে আর কিছুর দিকে তাকাবার সময় কোথায়।হাহাহাহাহা...ভাল থাকবেন।আর আপনি কি করবেন আপনিই ভেবে দেখুন।

সুরাইয়া  The sunflower is mine, in a way....

মহাগুরু

যে কোন সম্পর্কে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা না থাকলে 'সন্দেহ' ব্যাপারটা জন্ম নেয়। বাবা মা সন্দেহ করতেই পারেন। সন্তানকে ২৪ ঘণ্টা মনিটর করা সম্ভব না। যদি কোন আচরনে বাবা মা সন্দেহ পোষণ করেই ফেলেন তাহলে সন্তানের উচিৎ বাবা মাকে তা ক্লিয়ার করা। যেমন যদি ছেলে বন্ধু (class mate/freinds) থাকলে তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া। কোথায় যাচ্ছি, সাথে কে যাচ্ছে, কখন ফিরব-- এসব কিছুতে বাবা মাকে সঠিক তথ্য দেয়া উচিৎ। বাবা মা ফোন দিলে সাথে সাথে ধরা, ধরতে না পারলে টেক্সট করা অথবা ফ্রি হয়েই কল ব্যাক করা। এগুলো আস্থা তৈরি করে। বাবা মা নিশ্চিত হয় যে সন্তান নিরাপদে আছে। এগুলার অন্যথা হলেই বাবা মা সন্দেহ করতে শুরু করে। টিন এজাররা ভুল করে। এই বয়সে অনেক কিছু করতে ইচ্ছে করে। কিন্তু এই অনেক কিছু করার যে ইচ্ছে এর ফাঁদে পরে অনেক ছেলে মেয়ে জীবনের চরম ক্ষতি করে ফেলে। এই ক্ষতি সারা জীবনেও ঠিক হয় না। বাবা মায়েরা এই ব্যাপার গুলো জানেন। যেই পথে আজ একজন সন্তান হাঁটে সেই পথ তারা অতীতে অনেক আগেই হেঁটে এসছেন। কাজেই বাবা মা যদি সন্দেহ করেই ফেলে যে মেবি তার মেয়ে প্রেম করছে তাহলে বাবা মাকে নিশ্চিত করার দায়িত্ব সন্তানের যে তার ছেলে বা মেয়ে প্রেম করছে না। বাবা মা কমপ্লেইন করলে, মোবাইল চেক করতে চাইলে, কার সাথে কথা বলছ জানতে চাইলে ঠাণ্ডা মাথায় উত্তর দিতে হবে। রাগ করা যাবে না। এভাবে এক মাস করলেই বাবা মা বুঝবেন যে না ভুল তারাই করেছেন। তাদের বাবুটা আসলেই লক্ষ্মী :)


অথবা,