Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

টপিক বাছাই করুন

+ আরও

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল  জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার

মহাগুরু

সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বয়স শুরু হয় টিনএজে। এ সময় সে একটি বয়স থেকে আরেকটি বয়সের উপত্যকায় পৌঁছায়। তার মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। এ-সময় তার বিশেষ বন্ধু হতে হয়। পারিবারিকভাবে বিশেষ সময় দিতে হয়, খোঁজ রাখতে হয় সে কাদের সঙ্গে মিশছে। ওর ফ্রেন্ড সার্কেলের গেট-টুগেদার বাড়িতেই করুন, আপনারাও তার বন্ধু হন, বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় দিন। মূল্যবোধ, দেশাত্ববোধ পারিবারিক বন্ধন, মানবতাবোধে, শিক্ষায় আলোকিত করুন সন্তানকে প্রতিযোগিতামূলক শপিং, পকেট মানি সম্পর্কে সচেতন করুন সন্তানকে। তার মধ্যে তাকে অভ্যস্ত করান বেশি বেশি বইপড়া, সৃজনশীল কাজ করতে। গুণী ব্যক্তিদের আদর্শ ও বই তুলে ধরুন তাদের সামনে। কোয়ালিটি টাইম দিন, ভালো-মন্দ বুঝান, মনের কাছাকাছি থাকুন। সন্তানের ভুলের জন্য এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না, এমন কোনো রাগ করবেন না যে, সে একা হয়ে পড়ে, আÍঘাতী কোনো আচরণে জড়িয়ে পড়ে। বরং তার পাশে থাকবেন। ১৫-১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তাকে খুব বেশি মানসিক সহায়তা দিতে হয় আবার একটু ভারসাম্যটাও ঠিক রাখতে হয়। তার ভুলগুলো মেনে নেয়া যাবে না কিন্তু তাকে সেটা বোঝাতে সক্ষম হতে হবে। বেশিরভাগ অভিভাবকই বলেন বেশি, শোনেন কম। অতিরিক্ত উপদেশ দিলে সন্তানের কাছে গ্রহণযোগ্যতা কমে যায়। তাই ভালো শ্রোতা হন। উপদেশ দেবার চাইতে নিজের চাল-চলনকে নান্দনিক পর্যায়ে রাখুন দেখবেন শিশু সেটি গ্রহণ করছে। বিনয়ের দৃষ্টান্ত রাখুন। ভুল হলে সন্তানের কাছে ‘সরি’ বলুন। এতে শিশুর মাঝ থেকে ‘ইগো’ সত্তাটি দূর হবে। শিশুও নিজেকে নম্র ও আÍ-বিশ্লেষণ করতে শিখবে। সন্তানকে গড়ে তুলতে গেলে বাবা-মাকে হতে হবে প্রস্তুত।

নাহিন  চরিত্রবান ছেলে

গুরু

টিনেজ বয়সের একটি ভুল সিদ্ধান্ত একটি ছেলে বা মেয়ের সারাজীবনের জন্য অভিশাপ হয়ে যেতে পারে। অনেক টিনেজারকে দেখেছি আবেগের বশে পরিবার বা সমাজবিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত নিজের জীবনটাকে বিষিয়ে তুলেছে। তাই পরিবারের বড়দের উচিত টিনেজারদের সম্ভাব্য ভুলগুলো সম্পর্কে আগেভাগেই সচেতন করে তোলা। সেই সাথে সঠিক সময়ে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের কে বিপথে গমন করা থেকে রক্ষা করতে পারে।

শাকিল আহমেদ  তোর স্বপ্ন ছোঁয়ার ইচ্ছে, মোর আজটা কেড়ে নিচ্ছে

মহাগুরু

বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা কম থাকে বলে এ সময়ের স্বপ্নগুলোও হয় বড় বেশি আনাড়ি। তাই এ সময়ের করা কিছু ভুল জীবনে নিয়ে আসতে পারে বড় ধরনের দুর্ভোগ। তাই এ সময়ে প্রয়োজন বিশেষ দিক নির্দেশনার। এই দিক নির্দেশনা দেয়ার দায়িত্ব অভিভাবকদের ওপরেই বর্তায়। বিশেষ করে বাবা-মা’র ওপরে।টিনএজের ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই প্রয়োজন ভালো-মন্দ বোঝানোর। - প্রতিদিন অন্তত একবার খাবার টেবিলে হলেও পরিবারের সবাই একসাথে গল্পগুজব করুন। সারা দিন কে কি করেছে জেনে নিন। আপনার সন্তান একাকীত্বে ভুগবে না। - সে জীবনে কী করতে চায় বা কী হতে চায়, তার জীবনের লক্ষ্য কী হওয়া উচিত এ ব্যাপারে তাকে দিক নির্দেশনা দিন। তাকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করুন। - টিনএজারদেরকে কোনো ভাবেই খোঁটা দেয়া কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে তিরষ্কার করা উচিত না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। অনেক সময় আমরা ভাবি যে কিছুটা তিরস্কার করলে হয়তো পরবর্তীতে তারা ব্যাপারটি শুধরে নেবে। কিন্তু এই বিষয়টি টিনএজারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। - কোনো কিছু নিষেধ করতে হলে বা কোনো কথা বোঝাতে হলে ধৈর্য ধরে আদর করে বোঝান।কোনো সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। - ধূমপান, ড্রাগ ও আলকোহল এর ক্ষতিগুলোর ব্যপারে আগেই কথা বলে রাখুন। বলে দিন যে কেউ এ পথে যেতে বললে যাতে তার সাথে আপনার সন্তান মেলামেশা না করে। - সবার জীবনেই প্রেম আসে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। টিনএজ বয়সটাই হলো অল্পতেই ভালো লাগার বয়স। কিন্তু ভালোলাগা আর ভালোবাসা যে এক নয়, তা বোঝার মতো বোধবুদ্ধি থাকে না এ সময়। তাই টিনএজাররা এইবয়সে অনেক সময় অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারে। তাই তাকে বোঝান যে, ভালোলাগা এবং ভালোবাসা এক নয়। আর যদি প্রেম হয়েও যায়, তাকে চাপ প্রয়োগ না করে এটাই বোঝান যে, প্রেম জীবনের সবকিছু নয়, বরং জীবনের একটা অংশ মাত্র। তাই এর পেছনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে সময় ব্যয় করা মানে নিজেরই ক্ষতি করা।সাথে এটাও বুঝিয়ে বলুন যে,নির্দিষ্ট সময় এলে সে তার জন্য একজন ভালো সঙ্গী পাবেই। - শারীরিক বা মানসিক কোনো অস্বাভাবিকতা দেখলে দেরী না করে সন্তানকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। টিনএজে আপনার সন্তান কিভাবে বড় হয়েছে তার উপর নির্ভর করবে তার বাকি জীবন। তাই এই সময়টাকে অবহেলা না করে আপনার সন্তানের প্রতি মনোযোগ দিন ও তাকে বোঝার চেষ্টা করুন।এই সময়টাতে একটু ধৈর্য ধরুন ও সাবধান থাকুন

সেজুতী ত্রয়ী  অদ্ভুত দুনিয়ার অদ্ভুত একজন

গুরু

টিনএজ বয়সটাই হল ভুল করে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ার, জীবনের শিক্ষা । আমিও একজন টিনএজার। এখনো পর্যন্ত অনেক ভুল করেছি ছোট বড়, আর সেটা থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আমি একটা অনেক বড় ভুল করেছিলাম। আম্মু-আব্বুর কাছে গোপন রেখে। কিন্তু, বাবা-মার কাছে কিছুই তো গোপন রাখা যায় না। আজ হোক কাল হোক তারা সব কিছু বুঝতে পারেই। আর সেই ভুল শুধরে আমি সামনে এগিয়ে এসেছি শুধু আমার বাবা-মা এর কারনে। এই বয়সের অনেক ছোটোখাটো ভুলও আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনে অনেক খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে যদি না আমরা সেই ভুল তাকে 'ভুল' হিসেবে বুঝে উঠতে পারি এবং সেটা শুধরে সামনে এগিয়ে যেতে পারি। আর এ ক্ষেত্রে আমাদের শক্তি হসেবে থাকেন আমাদের বাবা-মা, আমাদের পরিবার। তারা যদি আমার সাপোর্ট না করেন তাহলে কখনই এই সব ভুল কে শিক্ষা হিসেবে নিতে পারব না। আমার মতে,পরিবারের ভুমিকা হল আমাদের ভুল গুলো ধরতে সাহায্য করা। আর ভুলের জন্য বকাবকি বা সাস্তি না দিয়ে সে ব্যাপারে ভালো ভাবে বুঝিয়ে বলা। আর, সে ভুল কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করা।

হৃদয়  

গুণী

পরিবার থেকে যদি সন্তানকে সুশিক্ষা দেয়া হয়, ধর্মীয় অনুশাসন, নৈতিক শিক্ষার পরিবেশ দেয়া হয়, তাহলে এই বয়সে বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম থাকে।পরিবারে যদি নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী পরিবেশ বজায় থাকে এবং সন্তানদের কুরআন-হাদিস চর্চায় অভ্যস্ত করা হয় তাহলে সে পরিবারের সন্তান অবশ্যই ভালো হবে।


অথবা,