Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

টপিক বাছাই করুন

+ আরও

রিনি  শূন্য থেকে শুরু....

গুরু

এমন একটা প্রশ্ন করেছেন যেটা পড়তে গা গিরগির করছে, কিন্তু এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই.. যাই হোক, লিভিং টুগেদার মূলত নগরায়ন বা শিল্পায়ন থেকে উদ্ভুত একটি সমস্যা..গ্রামের কৃষক রা যখন নগরের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্পের যোগান দিতে মাইগ্রেট করলো, পরিবার/বন্ধু ছেড়ে একা, তখন থেকেই মূলত এই লিভিং টুগেদার কনসেপ্ট টা এসেছে..নিজেদের একাকিত্ব, হতাশা থেকে মুক্তি পেতে তখন শ্রমিক রা লিভ টুগেদার করা শুরু করে..পরে তা নানা রূপে, রঙ্গে বর্তমান আকার ধারণ করেছে.. যাই হোক, বাস্তবতা হলো, লিভিং টুগেদার থেকে বের হয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই.. বর্তমানের "গ্লোবাল ভিলেজ" এ মানুষ তার ব্যক্তি ইচ্ছা কে মূলত প্রায়োরিটি দিচ্ছে..আমাদের সামনে কোনো "রোল মডেল" নেই..যাকে ফলো করে নতুন জেনেরাসন সামনে এগুবে...আমরা বিপাসা বসু- জন আব্রাহাম কে প্রতিনিয়ত জানতে পারছি, মিডিয়া ফলাও করে তাদের কথা জানাচ্ছে...আমরা হৃদয় খান-সুজানার কথা জানতে পারছি..ইউং জেনেরেশন তো ভালো-মন্দ বুঝবেনা, তারা চাকচিক্কের মোহের পিছনেই ছুটবে..কারণ ওই যে রোল মডেল নেই..মিডিয়া তৌকির-বিপাশার ভালবাসার কথা জানাবেনা প্রতিদিন, কিন্তু রুমানার তৃতীয় বিয়ের কথা জানাবে রস-কশ লাগিয়ে...তাই প্রেম-ডিভোর্স-লিভ টুগেদার-এক্সট্রা মারিটাল রেলাসন- সমকামিতা এগুলো বর্তমান গ্লোবালায়জেষণ যুগের বাস্তবতা..এই বাস্তবতায় ধর্মের কোনো জায়গা নেই..পারিবারিক বন্ধনের কোনো জায়গা নেই..আপনি/আমি এর বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে পিছিয়ে পরা মানুষ হব..তাই আমার মতে, এই অনাচার একটি গ্লোবাল রিয়ালিটি, এথেকে আমাদের সমাজ কে মুক্ত করতে হলে বিশ্ব ব্যবস্থা থেকেই আমাদের বিচ্ছিন্ন করতে হবে.. তবে এটি পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারলেও আমরা এটাকে কমাতে পারি:সেজন্য, ১. সমাজের সকল প্রতিষ্ঠানের মাঝে একটি সুসমন্নয় ঘটিয়ে... পারিবারিক শিক্ষা, ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক শিক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, মিডিয়ার শিক্ষা এমনকি রাষ্ট্রীয় শিক্ষার মাঝে সমন্নয় ঘটাতে হবে. ২. ছেলে/মেয়ে (দুজনই সমানভাবে দায়ী) প্রতারণা করার পর, সেটি বহন করার মত নিজেকে তৈরী করতে হবে, প্রতারণা যেন প্রতারণা না মনে হয়...এধরনের সম্পর্ক করার সময় খুব সাহস যখন দেখিয়েছ, ভাঙ্গলেও তেমন সাহসের সাথে মোকাবেলা করতে হবে.. পরিশেষে বলি, ব্যাপারটা আসলে এত সিম্পল না... অনেক কিছুর সাথে লিংকড একটা ইসু.... ধন্যবাদ...

দস্যু বনহুর  *~ গভীর অন্তহীন তীব্রতা অবিনাশ ~*

মহাগুরু

রিমি'র উত্তরটা অসাধারন হয়েছে! আমি প্রশ্ন সম্পর্কে বলতে চাই। প্রশ্নটাতে দুটো মূল বিষয় ছিল, প্রতিশ্রুতি এবং সাড়া দেয়া (অবলিলায়) এবং ফলস্রুতিতে অনাচার। এবার বিস্তার করি। বিশ্বাস হচ্ছে প্রতিশ্রুতি দেয়া এবং রক্ষা করার মূল ভিত্তি এবং দুই পক্ষের মধ্যেই এই চুক্তিটা হয় আর তারা কিন্তু সমাজের সামনে এসে এই চুক্তি করেনা। সুতরাং সম্পূর্ন নিজের বুদ্ধি বিবেচনার উপরে ভর করেই এই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় এবং ঠিক একইভাবে সাড়া দেয়া হয়। সমাজ বা পরিবারের বাইরের যে প্রতিশ্রুতি সেটার দায় কিন্তু কখনই পরিবার বা সমাজ নেবে না অথবা দায় চাপিয়েও দেয়া যাবেনা আর তার ফলস্রুতিতে অনাচার হয়ে উঠছে। একটা দুর্ঘটনা কিন্তু অনাচার নয়! অনেকগুলি প্রাসঙ্গিক দুর্ঘটনাই শুধু অনাচার বলা যাবে। ছোট্টভাবে যদি এর সমাধান চাওয়া হয় তবে আমার সমাধান হচ্ছে, বাবা এবং মা'র সঠিক এবং প্রাণবন্ত সম্পর্ক এবং সন্তানের প্রতি সঠিক অনুশাসন তথা পরিবারের সৃজনশীলতাই একজন সন্তানকে আদর্শ একটা সমাজ হিসেবে গড়ে তোলে। একজন মানুষ যদি একটা আদর্শ সমাজের রুপ নিয়ে গড়ে উঠে তবে পরিবার, সমাজ এবং দেশ স্বতন্ত্র এবং সঠিক হতে উতসাহিত হয়। তাই প্রথমত পিতা-মাতা কে এই দায় নিতে হবে পরবর্তিতে সমাজ কিংবা দেশ এগিয়ে আসতে বাধ্য। প্রশ্নকর্তাকে ধন্যবাদ।

অঙ্কিতা  আমি আমার মত..

পন্ডিত

এর জন্য আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাই দায়ী । এটা বলা যেতেই পারে যে এটা আমাদের সংস্কারের একটা খারাপ দিক । আমাদের নিজেদের আরও বেশী করে আত্ম সচেতন হয়ে উঠতে হবে । নিজের কাছে নেজেকে বার বার প্রশ্ন করতে হবে, ঠিক ভুল এর বিচার করতে হবে নিজেকেই । তবেই আমাদের শিক্ষার ও সংস্কৃতির অপব্যবহার কে আটকান যাবে । আমাদের ভবিষ্যৎ টা হয়ে উঠবে সুন্দর ।

"হৈমন্তী"  নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি...

পন্ডিত

অন্ধ বিশ্বাস কমাতে হবে। পরিবারকে বেশি সময় দিতে হবে।সচেতনতা বাড়াতে হবে।ভালবাসার সঠিক মানে বুঝতে হবে...

রাজ  সেই জ্ঞানী যে নিজে শেখে অন্যকেও শিখায়..

গুরু

আমি বর্তমান অবস্থার কথা বিবেচনা করে বলতে পারি.....যখনই কোন মেয়েকে তার বন্ধু বা প্রেমিক এই প্রস্তাব দিবে...তাকে বলতে হবে আমাকে যদি এখনই বিয়ে করতে পারো সব দিতে আমি রাজি.... না হলে না.........আমার মনে হয় এই এক কথাতেই কিছুটা হলেও সমাধান হবে........ তবে কথায় আছে ছেলেরাই যে সব সময় এমন কাজ করে তা কিন্তু না......যেমন মেয়েদের বুক ফাটে তো মুখ ফোটেনা...........কিছু কাজ মেয়েদের দ্বারায় ও হয়......... বি: দ্র:=যদি ভূল বলে থাকি ক্ষমা করবেন

নাবালক  প্রতি নিয়ত ভালর খোজে.....

গুরু

আমার মতে এর জন্য আকাশ সংস্কৃতিই দায়ী। আপনি সিনেমা বলেন, নাটক বলেন, গল্প বলেন প্রেম-পিরিতি ছাড়া মনে হয় পৃথিবীতে আর কিছু নাই।এটাকে বেশাত করেই আকাশ সংস্কৃতি চলছে।

Debopriya  সত্য সন্ধান করি.

গুরু

একসঙ্গে সহবাস করার ঢাক পিটিয়ে জানান দেয়াকে বিয়ে বলে | এখানে ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই দ্বায়ী,ছেলেদের একা যে কেন দ্বায়ী করা হয় তা মাথায় ঢোকে না | ওই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানান না দিয়ে সহবাস করাকে গন্ধর্ব মতে বিয়ে বলে | প্রাচীন ভারতে প্রচলিত ছিল | উত্তর ইউরোপে কেউ বিয়ে করে না | সেটা যে কেউ করতে পারে | আবার নাও করতে পারে | বিয়ে তা একটা রীতি | কোনো বায়োলজিকাল মাত্তর নয় | তবে সারাজীবন একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতিতায় বড় কথা | কেউ যদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভঙ্গ করে সেটা অবশ্যই অন্যায় | সাইবার সেক্স টা অন্য বিষয় | এর সাথে বিয়ের কোনো সম্পর্ক নেই | যার তার সঙ্গে সেক্স করব এমন ধরনের মানুষিকতার ছেলে মেয়ে দের কখনই বরদাস্ত করা যায় না | এরা মানুষিক রুগী হয় | অন্য sexer কাউকে দেখলেই এদের উত্তেজনা আসে | এটা অসুখ | বিয়ে বা লিভিং এর ডিসিসন নেওয়ার আগে এদের কে বুঝে নেওয়া উচিত | সেক্ষেত্রে বিয়ে করলে সব কিছু প্রমান হয়ে যায় | সেদিক থেকে যারা বোঝেনা তাদের বাড়িতে সবাইকে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার | অনেক ছেলে মেয়েই আছে কিছু না জেনে বুঝে প্রথম দেখার ভালোলাগাকেই ভালবাসা মনে করে | আবার অনেকেই অনেক দিন সম্পর্ক থাকা সত্বেও কিছুই বোঝে না |তাদের জন্য বিয়ে ঠিক |

foysal mahmud  

গুণী

এর জন্য অভিবাবক রাও দায়ী। ছেলেমেয়ে বিয়ে ছাড়া যে এগুলো করে বেড়াবে তাতে আপত্তি তেমন নেই। কিন্তু বিয়ের কথা বললে তাদের যত রকম আপত্তি।


অথবা,