Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ২ টি উত্তর আছে )

( ১,৫০৮ বার দেখা হয়েছে)

পূজা  

গুরু

একটি সন্তান বেঁচে থাকবে, নাকি মৃত সন্তান প্রসব হবে, জন্ম হলেও সেই শিশুটি মানসিক ও শারীরিকভাবে কতোটা সুস্থ হবে, এর অধিকাংশই নির্ভর করছে বাবা-মায়ের রক্তের গ্রুপের ওপর। সেইজন্যই বলা হয়ে থাকে, বিয়ের আগে সম্ভব হলে একে-অন্যের রক্তের গ্রুপটা জেনে নেওয়া ভাল। একান্তই যদি জানা সম্ভব না হয়, সেইক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সঠিক সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটা জরুরি। জানা থাকলে মানসিকভাবে একটা প্রস্তুতিও থাকে। আর লড়াইটাও তখন আর অপ্রত্যাশিত থাকে না। রক্তের গ্রুপ সাংঘর্ষিক হলে সন্তানের পাশাপাশি মায়ের জীবনের ওপর হুমকি কম থাকে না। বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে এরকম ক্ষেত্রে। সন্তান নেওয়ার আগে ভাল করে ভেবে-চিন্তে নিন, সন্তানটি আপনার কতটা সুস্থ হবে। মায়ের রক্তের গ্রুপ এবং তাঁর সন্তানের রক্তের গ্রুপ দুটোর সমীকরণের ফলাফল গর্ভস্থ ভ্রূণ বা নবজাতকের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ধরা যাক, গর্ভধারিণী মায়ের রক্তের গ্রুপ আরএইচ নেগেটিভ এবং তাঁর স্বামীর রক্তের গ্রুপ আরএইচ পজেটিভ। এই যোগসূত্রে আরএইচ পজেটিভ শিশুর জন্ম হতে পারে। এই মা যদি আগে থেকে আরএইচ রক্তকোষ দ্বারা সংবেদনশীল থাকেন, তাহলে গর্ভস্থ আরএইচ পজেটিভ বাচ্চা আরএইচ হিমোলাইটিক অসুখে কোনো না কোনো মাত্রায় আক্রান্ত হবে। আর মা যদি ডেলিভারির পরে প্রতিক্রিয়ার আওতায় আসেন, সে ক্ষেত্রে পরবর্তী সব আরএইচ পজেটিভ গর্ভস্থ শিশু ঝুঁকিতে থাকবে। গর্ভস্থ ভ্রূণ ‘ডি’ পজেটিভ হলেও প্রথম বাচ্চা এতে আক্রান্ত হয় না। প্রথম বাচ্চা জন্মদানের সময় আরএইচ পজেটিভ রক্তকোষজাত অ্যান্টিডি-অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে, যা পরবর্তী সময়ে গর্ভস্থ শিশু থেকে বা রক্ত সরবরাহতন্ত্রে প্রাপ্ত যেকোনো ‘ডি’ পজেটিভ রক্তকোষ পেলে সমূহ সংহারে উদ্যোগী হয়। এভাবে আরএইচ নেগেটিভ মা তাঁর ডি-অ্যান্টিজেন নিয়ে কতটা সংবেদনশীল হয়েছেন, তার মাত্রা মায়ের গর্ভকালীন সিরাম ইনভাইরেক্ট কুম্বসটেস্ট দ্বারা নির্ণয় করা যায়। প্রতিক্রিয়ার মাত্রা যত বেশি হবে, গর্ভস্থ ভ্রূণ তত বেশি ক্ষতির শিকার হবে; যার সর্বাধিক নমুনা হচ্ছে ‘হাইড্রপস ফিটালিস’। গর্ভপূর্ব সময়ে গর্ভপাত, জরায়ু থেকে রক্তপাত হয়ে থাকলে চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ‘অ্যান্টিডি ইমিউনোগ্লোবুলিন’ দেওয়ার মাধ্যমে ভয়ানক এ অসুখ থেকে অনাগত সন্তানকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। (ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহিত)

রশিদা আফরোজ  আমিই আমার প্রিয়!

গুরু

গর্ভবতী নারীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে সন্তানের জন্মের পর পর (গর্ভপাত হলেও তাই করতে হয়) তাকে একটি ইঞ্জেকশান দিতে হয়, সেইসঙ্গে নবজাতককেও। ডিটেইল বলতে পারবো না। এই প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে একজনকে যেতে দেখছি।


অথবা,