Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

টপিক বাছাই করুন

+ আরও

দস্যু বনহুর  *~ গভীর অন্তহীন তীব্রতা অবিনাশ ~*

মহাগুরু

তর্ক করা কখনই ভাল নয়। অন্তত অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক ছেলেমেয়ের সাথে বাবা মা-এর কখনই তর্ক করা উচিত নয়। এতে পারিবারিক যে অনুশাসন তা বিঘ্নিত হয়। আমরা কেউ সবজান্তা নই এমনকি পন্ডিত মানুষদেরও অনেক অজানা থাকতে পারে। কোন অপৃতিকর বিষয় উপস্থাপিত হলে গুরুজনদের উচিত সেই পরিস্থিতিকে শান্ত রেখে যুক্তি সহকারে বুঝিয়ে বলা, প্রসঙ্গত কোন উদাহরন, উদ্ধৃতি ব্যবহার করলে যে বিষয়টা বুঝতে পারছেনা তার জন্য বুঝতে সহজ হয়। ছেলেমেয়েদের সঠিক বিষয়টা না বুঝিয়ে কখনই এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয় তাছাড়া ছেলেমেয়েদের মনে খুব স্বাভাবিক ভাবেই যেকোন প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে এবং এমনটি আমাদের ছেলেবেলার ক্ষেত্রেও অনেক ঘটেছে। আমাদের সেই সময় আর এখনকার সময়ের পার্থক্য অনেক। প্রযুক্তির ব্যবহারে এখন ছেলেমেয়েরা নতুন নতুন অনেক উদাহরন, উদ্ধৃতি বিভিন্ন সোর্স থেকে পেয়ে যায় এবং সেগুলি সবসময়ই যে সঠিক হয় তা নয় তবে সেক্ষেত্রে মতানৈক্য দেখা দিলে বয়ষ্কদের বিষয়টা নিয়ে অবশ্যই ভেবে-চিন্তে উত্তর দেয়া উচিত। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে যদি বাবা মায়ের সঠিক ব্যাখ্যা না জানা থাকে তবে তর্ক না করে কিংবা নিজেদের ইচ্ছাটাই চাপিয়ে না দিয়ে ছেলে মেয়েদের ধৈর্য্য ধরতে অনুরোধ করতে হবে। সেই শান্ত রাখার ব্যাপারটাও যেন এড়িয়ে যাওয়া না হয়। বাবা মা হলেই যে সবকিছু সঠিক জানবে সেটা কখনই নয়, এই বিষয়টাও ছেলেমেয়েদের বোঝাতে হবে। পরবর্তিতে বিষয়টা নিয়ে পড়াশোনা করা যেতে পারে, জানা যেতে পারে বিষয়টির যৌক্তিকতা এবং যুক্তির নির্ভরতা। প্রয়োজনে অন্য গার্জিয়ানদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টির সহজ এবং সুন্দর গ্রহনযোগ্য ব্যাখ্যা ছেলেমেয়েদের বুঝিয়ে দিতে হবে। বাবা মা-কেও বুঝতে হবে এক একজন সন্তান এক এক রকম বুদ্ধিমত্তা, বৈশিষ্ট নিয়ে বেড়ে ওঠে এবং ছোট হলেও তাদের নিজশ্বতা এবং আত্মসম্মানবোধ রয়েছে। কখনই সেসব ছোট করে দেখা উচিত নয়।

সৌ র ভী  আমি আমার মতো

গুরু

মা-বাবার সাথে ছেলে-মেয়েদের যে সব সময় মতের মিল থাকবে এমনটি নয় ..ছেলে মেয়ে ভুল করে, বাবা -মা শুধরিয়ে দেন...এটাই বাস্তব.. আবার অনেকে সময় বাবা মাও অবুঝের মত আচরণ করেন হয়ত কোনো একটা যুক্তির বেড়াজাল উনারা মানতে চান না .. যে কারণেই হোক যদি বাবা-মা ও সন্তানদের মধ্যে মতের অমিল থেকে তর্কাতর্কি বা আরো খারাপ পরিস্থিতিতে সম্পর্ক যাওয়ার আগেই নিজেকে কন্ট্রোল করা উচিত.. তাত্ক্ষণিক সমাধান হলো চুপ থাকা.. পরে সময় সুযোগ মত ঠান্ডা মাথায় তা বুঝিয়ে বলা.. যদি কথা বার্তা উভয় পক্ষ থেকেই বন্ধ হয়ে যায় তখন সন্তানেরই উচিত প্রথমে বাবা মার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া..কেননা মা বাবা কখনও সন্তানের ভুল মনে পুষে রাখেন না.. আর যদি বাবা মা নিজের ভুল বুঝতে পারেন তাহলে নিসংকোচে ছেলে মেয়ের কাছে তা প্রকাশ করা উচিত.. আসলে বাবা মা সন্তানের সম্পর্কটাই হওয়া উচিত বাধাহীন.. স্বচ্ছ কাঁচের মত ... এবং কন্ট্রোল ও নির্ভর করে উভয় পক্ষের উপরই

প্যাঁচা  ভয় লাগে নাকি ভয় করে!!!...হুমমম...

মহাগুরু

তর্ক ও আলোচনার মাঝে তফাৎটা দিয়েই শুরু করি..হাহাহাহা তর্কে মেজাজ চড়তে থাকে বা চড়ে থাকে ফলে কোন সমাধানে আসা যায় না।এক্ষেত্রে সমাধান থেকেও কে জিতলো বা হারলো তার প্রাধান্য থাকে বেশি।তর্কে সাধারণত যুক্তি কাজ করে না,অনেকসময়ই ইমোশান এসে সব আরো ঘোলাটে করে দেয়। আর আলোচনা হবার কথা যুক্তির উপর ভিত্তি করে,প্রাধান্য পাবার কথা কোনটা ঠিক,কে ঠিক সেটা না।তবে এটা স্ট্যান্ডার্ড সিনারিও।হাহাহা... এখন প্রশ্নে আসি।প্রথমেই বলা দরকার যে মাতাপিতা মানেই আপনার কেবল অভিজ্ঞতাই বেশি,এর মানে কিন্তু এই না যে আপনি সন্তানের চেয়ে ভাল বুঝবেন সববিষয় বা ভাল বুঝতেই হবে।তাই মাতাপিতার উপরই এই দায়ভারটা বেশি যে সিচুয়েশান কোনদিকে যাচ্ছে তা যাচাই করে নেয়া।যদি তর্কের দিকে চলে যেতে থাকে তাহলে হয় তখন কথা থামিয়ে দেয়া না হয় সন্তান কে এটা জানিয়ে দেয়া যে,সে কি তর্ক করতে চায় নাকি আলোচনা করতে চায়?সে কি বুঝতে চায় কি করা উচিত নাকি সে তার সীদ্ধান্তকে সবাই মেনে নিক সেটা চায়?যদি সবাইকে মেনে নিতে বলে তাহলে সেটা কিভাবে করতে চায় জোর করে নাকি বুঝিয়ে শুনিয়ে। এই কথা গুলো বলে আপনি সন্তানকে সচেতন করে দিলেন তার কথা যেন তার উদ্দেশ্যে মোতাবেক থাকে,এলোমেলো যেন না হয়।আর এই সুযোগে তার যদি রাগ চড়ে যায় তাহলে তার মনকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন এবং সে ও রাগটাকে নিয়ন্ত্রণ করে হয়ত একটা আলোচনার মাঝে আসার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হবার জন্য সময় পাবে।হাহাহা এবার তাকে ইমোশনালি চিন্তা করতে মানা করুন।আর আলোচনা শুরু করুন।আর নিজেও উপরের কথাগুলো মেনে চলুন। এবার সন্তান বলেছে বলেই যে ভুল বলেছে তা ভাববেন না।হয়ত আপনি তার বয়সে বা তার চোখ দিয়ে দেখলে হয়ত আপনিও একই সীদ্ধান্ত নিতেন।তাই সন্তানের কাছ থেকে যতটুকু পারুন এই সীদ্ধান্তের পেছনের সমস্ত কারণ জেনে নিন আপনার সীদ্ধান্ত দেবার আগে।সন্তানকে তার মনের কথা খুলে বলার সুযোগ করে দিন।মনে রাখবেন সবসময় সে হয়ত কিছু গোপন করে যেতেই পারে যদি আপনাদের মাঝে ওরকম ওপেন সম্পর্ক না থাকে।মনে রাখুন,আপনি সারাজীবন আপনার সন্তানের হয়ে সীদ্ধান্ত নেবেন না,তাকে জীবনে চলতে ফিরতে হলে এই সীদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তার থাকতে হবে।তাই তাকে সীদ্ধান্ত গ্রহণে বাধাগ্রস্ত না করে,বরং শেখান,কিভাবে সীদ্ধান্ত নিতে হয়।আপনি যেমন তার মাতাপিতা তেমনি জীবনে চলার জন্য তাকে প্রস্তুত করার জন্য শিক্ষকও আপনাকেই হতে হবে।স্পেস শেষ। আশা করি উত্তর বুঝতে পারছেন।ভাল থাকবেন

বরবাদ  একজন ব্যর্থ মানুষ

গুরু

কন্ট্রোল তা সব সময় ছেলে মেয়েকে নিতে হবে, কারণ তারা গুরুজন, বাবা মার কাছে ছেলে মেয়েদের ঋণ অনেক,


অথবা,