Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

মিঠুন  

বিশারদ

তাহলে ১৯৯৮ এ ফিরে যেতে চাইতাম। নিদারুণ অভাব আর দারুণ ভালোবাসায় ভরা ছিল ওই সময়টা। বাবা স্কুলের চাকুরিটা ছেড়ে দিয়েছিলেন আরো কয়েক বছর আগেই। আমরা ৫ ভাই বোন তখন পড়াশোনা করতাম। আমি ফাইভে পড়তাম তখন। বাকিরা হাই স্কুল আর কলেজে। একটাই দুই চালের ছোট্ট টিনের ঘর ছিলো। ঘরে বিদুৎ ছিলনা। কেরোসিনের আলোয় গোল হয়ে পড়তে বসতাম সবাই। সবাই যে যার মতো জোড়ে জোড়ে আওয়াজ করে পড়তাম। আর মা পাশে বসে থাকতো। সবার পড়া ঠিক করে দিত। শীতে গায়ে দেবার মতো আলাদা চাদর ছিলনা সব ভাই বোনদের। আমি তাই মায়ের কোলে শাড়ীর আঁচল জড়িয়ে পড়তাম। মেজদি আর ছোড়দি একটা চাদরে বসতো। বড়দি লেপ জড়িয়ে পড়তো আর দাদার একটা খয়েরি সোয়েটার ছিল। মাঝে মাঝেই বাতিতে তেল থাকতো না। কিন্তু সবার চোখে মুখে আশার আলো ছিলো। হাড়িতে ভাত হয়তো কম থাকতো, কিন্তু ছোট্ট ঘরের কানায় কানায় ভালোবাসায় ভরা ছিলো। মাঝরাতে বাবা যখন পরীক্ষার ফি বা খাবার বা অন্য কিছু যোগাড় না করতে পারায় লজ্জায় মাথা নিচু করে ঘরে ঢুকতো, আমরা তখন গৌরবের সাথে মাথা তুলে বাবার সামনে দাড়িয়ে বলতাম বাবা আমার বইটা লাগবে না। আমি আমার বন্ধুর কাছ থেকে পড়াটা দেখে এসেছি। বড়দি হয়তো কিছু টাকা হাতে দিয়ে বলতো বাবা এমাসের পড়ানোর বেতন পেয়েছি। কাল মুদির টাকাটা মিটিয়ে দিও। নয়তো সবার সামনে খুব বাজে ভাবে টাকা চায়, আমার লজ্জা লাগে। ছোড়দি বলতো বাবা আগের স্যান্ডেলটাই মা বেঁধে দিসে, নতুন লাগবে না।মেঝদি বলতো বাবা যার তার কাছ থেকে টাকা ধার নিওনা, আজ সকালে ঐ বাড়ির মামা খুব গালাগালি করে গেছে। দাদা বলতো বাবা একটা সাইজিং এ সুপারভাইজার হবো কিনা সেটা তোমার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে পাশের বাড়ির দাদা। বড়দির টিউশনের টাকা, মেঝদি-ছোড়দির উপবৃত্তির টাকা আর বাবার টিউশনের টাকা মিলিয়ে যখন ভালো কিছু রান্না হতো, সে যে কি তৃপ্তির খাবার ছিলো তা বোঝানোর নয়। এখন টিনের ঘরের জায়গায় দালান উঠেছে।পড়াশুনা শেষ হলেও আছে দামি দামি পড়ার টেবিল। কেরোসিনের বাতির জায়গায় এসেছে ঝকঝকে অনেক লাইট। খাবারে ফ্রিজ গুলো ভরা। এখন সবাই প্রতিষ্ঠিত। কোন কষ্ট নেই। বাবা-মা দুজনেই গর্বিত। কিন্তু আমি আজও ফিরে যেতে চাই সেই চাদর ছাড়া, রাতের খাবার ছাড়া শীতের রাতে। যেখানে ভালোবাসার চাদরে মোড়ানো ছিলাম সবাই। চোখ বন্ধ করলে সেই শীতের কষ্ট ভেদ করে মনে পড়ে বাবা রাতে একটা নীল জামা এনে উঠোনের ঢুকেই জোরে জোরে বলছিলো মিঠুন বৃত্তি পরীক্ষায় থানাতে ২য় হইছে।

ইসরাত  আমার কাছেই সকল কথা অন্তরঙ্গ বলছি একা এমনি ভাবে বলেই যাব।

মহাগুরু

কাল হটাত করেই আমার সার্টিফিকেট গুলো হাতে পড়লো | খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে মার্ক্স্ গুলো দেখলাম খুব মন খারাপ হয়ে গেলো | আমার ধারণা এর চেয়ে অনেক ভালো রেজাল্ট করার ক্ষমতা আমার ছিল | ভাবছিলাম যদি সেই দিনগুলোতে ফিরে যাওয়া যেত তাহলে যত্ন নিয়ে পড়াশুনা করে আরো ভালো রেজাল্ট করতাম | জীবন কে পাল্টানোর জন্য লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই |

ঈশরাত জাহান ঈশিতা  রাজ্য ছাড়াই রাজকন্যা আমি..

পন্ডিত

যদি অতীতে ফিরতে পারতাম তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ফিরতে চাইতাম,বিশেষ করে শেষের ৩ বছর ,ওই সময়ের অনেকগুলো ভুল সিদ্ধান্ত আমার জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছে,এমন কিছু ভুল আমার পরিবারকে যেমন আঘাত করেছে,তেমনি আমাকে ভিতর থেকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে,যার জেরে পরবর্তী আরো ২ বছর নিজের সাথে কঠিন যুদ্ধ,করতে হয়েছে,যে সময় আমার সহপাঠীরা ক্যারিয়ার নিজে ব্যস্ত আমাকে স্ট্যাবল হওয়ার জন্য সময় দিতে হয়েছে,আজ যখন মাস্টার্স শেষ করার ৩ বছর পরে আমি যে জায়গায় তখন আমার সহপাঠীরা এ জায়গায় ছিল ।আজকে জীবনের অনেক কিছুতেই পিছিয়া পরার জন্য ওই সময়টার ভুল সিদ্ধান্তই দায়ী তাই দীপ্তি আপু আমি ওই সময়টাতেই ফিরে আমার সেই সব সিদ্ধান্তকে পাল্টে ফেলতাম ।

মেঘের নীল  অস্থির পাবলিক

গুণী

হাইস্কুলের সেই সব দিন ফিরে পেতে চাইতাম... কেন না, সেই তো ছিল ভালবাসার হাতখড়ি। অসম্ভব ভাল লাগতো মানসী কে।।।

জীবনের সবচেয়ে ভাল সময়গুলো কাটছে ভার্সিটির হলে!

হলের শুকনো ভাত, পানির মতো ডাল, একরুমে পাঁচজন, তবুও এটাই জীবনের সবচেয়ে ভাল সময়।

যদি বলা হয় কোথায় যেতে চাই অতিতের?

বারবার আমার উত্তর হবে ভার্সিটি প্রথম দিনটিতে....যতবার যাব, কখনো খারাপ লাগবে না ভার্সিটি লাইফ!

"আমি ল্যাংটা ছিলাম  ভালো ছিলাম,ভালো ছিলো শিশু কাল। মায়ের সদা দুধে-ভাতে জীবন ছিলো নির্ভেজাল"

যদিও বা অতীত কে ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়,তারপরও ইচ্ছে জাগে হারিয়ে যাওয়া সেই শৈশব কাল টা কে ফিরে পেতে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের সবার ঘাড়ে বর্তাতে থাকে অনেক দায়িত্ব। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পালন করতে হয় সে দায়িত্ব গুলো। কারণ আমরা সমাজের কাছে দায়বদ্ব থাকি।

কিন্তু একমাত্র শৈশব কালই হলো ইচ্ছে মতো হারিয়ে যাওয়ার সময়। জীবনটা থাকে একদম বাঁধাহীন। সুতো কেটে যাওয়া ঘুড়ির মতো। মুক্ত মনে মুক্ত আকাশে বিচরন করার সময়। আমাদের বর্তমান জীবনে যেটার খুব অভাব।

কে না চায় এ সোনালী অতীতকে ফিরে পেতে...........

মো:আ:মোতালিব  আসুন রাজনীতিকে ঘৃণা না করে,আমরা সকলে ...সকলের হাতে হাত রেখে সুস্থ রাজনীতি করি-

মহাগুরু

ধন্যবাদ - আমার কল্পনায় এবং মনের মতো একটি প্রশ্ন,যে প্রশ্নটি মনের মাঝে অনেকদিন ঘুরপাক খাচ্ছে, আমি যদি আবার ছেলেবেলায় ফেরত যেতে পারতাম............ সেই প্রশ্নটি করার জন্য হৃদয় থেকে শ্রদ্ধা সহ ধন্যবাদ - যেদিন যাবে সেদিনকিআর ফিরিয়ে আনা যায়......... তারপরেও - অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি পাপমুক্ত নবজাতক শিশু হতে চাইতাম,মা+বাবার আদর স্নেহ নিয়ে বাঁচতে + বেঁচে উঠতে চাইতাম,ছেলেবেলা থেকেই নতুনকরে জীবনটাকে গড়তাম,ভুলেভরা এবং পাপময় জীবন চাইতামনা,মা+বাবা+শিক্ষক সহ সকলের প্রিয় পাত্র হতে চাইতাম,দুনিয়ার মোহে পড়তে চাইতামনা,ছেলেবেলা থেকেই আল্লাহর নৈকট্য/সাধনা করতে/পাইতে চাইতাম,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,জানি ছেলেবেলা আর ফিরে পাবনা,তারপরেও কল্পনায় মাঝে মাঝে ছেলেবেলায় ফিরে যাই,ছেলেবেলা আর ফিরে পাবনা এটাই বাস্তবতা এটাই জীবন -

নিপু  অলসতার মাপকাঠি !

মহাগুরু

ষষ্ট শ্ৰেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সময়টা অসাধারণ ছিলো, সুযোগ পেলে ওই সময়টা থেকে আবার ঘুরে আসতে চাই ! ওই সময়টা বেশ ছিলো, নিশ্চিন্ত আর অনেক অনেক বন্ধু ছিলো, আড্ডা আর ক্রিকেট চলতো সমান তালে ! আরো অনেক অনেক কাজ ছিলো যা ওই সময়ে ঠিক করলে আমি আরো ভালো করতে পারতাম সব ক্ষেত্রে !

আমি প্রথমেই আমার ভালবাসার মানুষের সাথে কাটানো সময় টাকে বেছে নিতাম। কারন সে ছিল আমার জীবনের প্রথম ভালবাসা। যাকে আমি আমার জীবনের চাইতেও অনেক বেশি ভালোবাসি। যার অস্তিত্ব মিশে আছে আমার প্রতিটা মুহূর্তে। যাকে এক পলক না দেখলে মনে হয় যেন জীবনের সব সুখকেড়ে নেয়া হয়েছে। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় এই যে তাকে আর আমার কখনো পাওয়া হবে না। যার কারণে আমি প্রতিটা মুহূর্তে শুধু তাকে খুঁজে চলেছি। যদি তাাকে আবার ফিরে পাই আমার জীবনে।

Ishrat Jahan Eva  

গুণী

১৯৭১ এ ফিরে যেতাম।

কেন?

কারণ অামি-

-স্বাধীনতার ডাকে জনসভায় যোগ দিতাম

-যুদ্ধে যেতাম

-১৬ডিসেম্বর এ লাল সবুজ শাড়ি,কপালে লাল তিলক অার পতাকা বেধেঁ হাতে পতাকা উড়াতাম।

Rakib Chowdhury  

গুণী

অতীতে ফেরার সুযোগ যদি পাই তবে আমি ২০১৫ এর ২৭আগস্ট  ফিরে যেতে চাই। বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন কিন্তু আমি তখন তার পাশে ছিলাম না। এই কস্ট আমার আজীবন থেকে যাবে।

Nasim Nirjon  

গুণী

যদিও অতীতে ফেরা সম্ভব না। তবুও যদি ফিরে পেতাম, ছোটবেলাই বেছে নিতাম। তখন মনটা অনেক সরল সোজা ছিল। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে  স্কুলে যেতাম আমি আর আমার কাজিনরা সবাই একসাথে। স্কুল ছুটির পর বাসায় ফিরে সবাই একসাথে পুকুরে গোসল করতাম। তারপর দুপুরে ঘুমাতাম। আর বিকাল হলেই আবার সবাই একসাথে মাঠে অনেক ধরনের খেলা খেলতাম।যেমন: ক্রিকেট, ফুটবল, গোল্লাছুট, কানামাছি, বউতোলা, হাডুডু, কুতকুত, পলান টু টু ইত্যাদি। আর সন্ধ্যা হলেই হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বসতাম। তারপর পড়া শেষ করে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম। 

Lutfun Nessa  সবই অনিশ্চিত, মরিব এটা নিশ্চিত:(

মহাগুরু

ধন্যবাদ।

উত্তরঃ আমি অবশ্যই ফিরে যেতে চেতাম আমার সেই স্বপ্ন আর দুরুন্তময় শৈশব কালে। যেখানে ছিলনা কোন স্বপ্ন দেখার বাদ বিচার বা ভয়, দূরন্তপনার কোন সীমা। আহ! কী অবাদ স্বাধীনতা সেই শৈশবে! কোন কিছুই যেন সেদিন হারাতে পারতনা, সব কিছু মনে হত শুধুই জয় করার অপেক্ষায় আর পরাজয় বলে কিছুইনা!! দুরন্ত, দুর্বিনীত শৈশবের সেই ডিকশনারিতে কোন ভয়, পরাজিত হবার আশঙ্কা কোন কিছুই যেন কোন বাধা হয়ে আমায় পথরোধ করতে   পারতোনা। গ্রামের মাঠে ঘাটে, রাস্তায়, বাড়ীর আঙ্গিনায় ছেলে মেয়ে একসাথে কতনা খেলায় মেতে উঠতাম সারা দেন বেলা! সে ছিল এক সুখের মহা সমারোহ! আহ যদিনা আবার সেই দিনগুলো ফেরত পেতাম  কতইনা মজা হত!

সুভেচ্ছান্তে......................

Nazrul Islam Jewel  শুনতে ও বুঝতে বেশ পছন্দ করি।

গুণী

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি আমার স্কুল জীবন থেকে আবার শুরু করতাম, অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়তাম সময়ের কাজ সময়ে করতাম,  তাহলে আমাকে আজকের মত সবাইকে ছেড়ে বিদেশে ডাক্তারী পড়তে হতোনা। 

Jubaer Mahmud Bhuiyan  (Badiul)

জ্ঞানী

সবাই বলে মাদ্রাসার ছেলেড়া অনেক দুস্ট থাকে,আমি কি তাই ছিলাম?

আমি ফিরে যাতাম মাদ্রাসার জিবনে,অবিশ্ব্যয় সেই সময়টা ছিল ক্লাস ১-১০ শ্রেনি পর্যন্ত।কিনা ছিল সেই সময়টাতে ,আমি ক্লাস ফাকি দিয়ে ভাড়িতে আসা।গুড়ি উড়ানো,মার্বেল খেলা,ফুটবল,ক্রিকেট খেলা,মার কাপড়ের আচল থেকে দুই একটাকা চুরি করে তুকানো গিয়ে কিছু খাওয়া,আরো কত কিছু।সর্বশেস লেংটা কালের বন্দুদের সাথে আড্ডা মারা অনুভূতি ছিল অন্যরকম।তাছাড়া মারামারি ঝগড়া ত ছিলো আমার দৈনন্দিন খেলা।সত্যি অনেক ডান পিটে দুস্ট্ ছেলে ছিলাম।

Tonoy Chowdhury  তনয়

গুণী

কৈশোর কাল!

 

কিশোর বয়সে, বন্ধুদের সাথে অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি দিতাম, নতুনকে জানার অদম্য কৌতুহলের কাছে পরাজিত হয়ে!!                                              দুরু-দুরু বুকে, সাহস সন্চয় করে, ঢাকার বাসাবো হতে নরসিংদী বাজীর মোড়! ন্যাতা বোম, চকলেট বোমসহ কত রঙের আতশবাজী এনেছিলাম!

হারিয়ে যাওয়ার ভয়ই, বেশী ছিলো! সঙ্গীয় বন্ধুও যে চেনে না, বাজীর মোড়! 

গুলিস্থান হলে, ১ টিকিটে ২ সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম, বয়স তখনো ১৮ হয়নি!!

যেমন, টিকিট ব্ল্যাকার কাছে বোকা হলাম! ২০ টাকা দরে কেনার পরে, ব্ল্যাকার ডাবল দাম চাইছে! সিনেমা ২ টা তাই!! 

মানষী সিনেমা হলের, ছারপোকা! ভুলবো না!!

শাহানাজ সুলতানা  খুব সাধারণ

পন্ডিত

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি আমার শৈশব সময় কে বেছে নিবো। শৈশব বড় দুরন্ত   খেলার সাথীদের সাথে বড় আনন্দ মুখর ছিলো সে সমাই। ছিলনা কোন বাধ্য বাধকতা। 

Rabiul Hoq Kowser  

জ্ঞানী

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি ফিরে যেতাম আমার মাধ্যমিক শিক্ষা জীবনে যেখানে ছিলো আমার শত শত বন্ধু যারা প্রয়িনিয়ত হাসি খুশিতে ভরিয়ে রাখতো বিদ্যালয় আঙ্গিনা যাদের সাথে সকাল সন্ধ্যায় মেতে থাকতাম সীমাহীন আনন্দে যাদেরকে এসএসসির পরে ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেছি

তাদেরকে আবার ফিরে পেতে সেই সময়টাতে যেতে চাই বারংবার

অতীতে ফিরতে হলে সেই সময়ে যেতে চাই যখন আমি খুব ছোট ছিলাম। যখন আমার বাবা আমাকে খুব আদর করতো। যখন তার সবটা ছিলাম শুধু আমি। আচ্ছা অতীতগুলো কেন বেঁচে থাকেনা? কেন সময় গুলো অতীতে পরিণত হয়। অতীতের দুক্ষ গুলোর চেয়েসুখ গুলোই মনে খুব কষ্ট দেয়। তাই অতীতের সুখের সময়েই ফিরতে চাই।  

ছোটবেলাকেই বেছে নিতাম। কারণ, ঐ সময়ে ছিলনা কোন চিন্তাভাবনা, ছিলনা কোন স্বার্থ চিন্তা। আজকের এই বেকারত্বের অসহায় যন্ত্রনা, পরিবার-পরিজনের চিন্তাভাবনা আমাকে ছোঁতেই পারতোনা। মায়ের বকুনি থেকে বঞ্চিত হতামনা।

Wahid Farhan  

গুণী

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি আমার ছোটকালটাই বেছে নিবো । কেননা ছোটকালে আমাদের কোনো টেনশন থাকেনা, পরিবারের কোনো চাপ থাকেনা , প্রেম করার ইচ্ছে জাগে না , মানসিক অশান্তি নেই । শুধুসারাদিন খেলাধুলা তারওপর আম্মুর আদর আব্বুর শাসন যেগুলো এখন আর পাইনা । এখন তো টেনশন করেও কূল পাইনা । ছোট বেলায় আমরা অন্যের কাছ থেকে শিখতাম তখন বেশ মজা হতো  যা এখন পাইনা । ছোট বেলার সবচেয়ে মজার দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম দিন হচ্ছে আমের দিন তখন আমরা এবং আমার বন্ধরা সকাল সকাল উঠে অন্যের গাছের নিচ থেকে আম কুড়াতাম আর এইটা ভাবলে  জসীমউদ্দীনের মামার বাড়ি কবিতাটা মনে পড়ে যায় । ছোটবেলার কবিতা গুলো পরতেও দারুন লাগে । খুব মিস করি আমার সেই ছোটবেলা ।

Shorif  

গুণী

অতিতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি আমার ছোটবেলার সেই হারিয়ে যাওয়ার সময়কে বেছে নিব। কারন আমার জীবনে এমন অনেক কিছু আছে, যা আমরা ছোটবেলায় হারিয়ে ফেলি এবং বড় হয়ে তার জন্য আফসোস করি।সুতরাং সেই জিনিস গুলোকে ফিরে পাবার জন্য এবং সব রকম ভুলত্রুটি সংসধন করার জন্য আমি সেই ছোটবেলার সময়লে বেছে নিব

Anmr Abdul Nabi  

গুণী

যদি অতিতে ফিরে যেতে পারতাম তাহলে সেই শিশুকালে চলে যপতাম। কারন, তখন মা-বাবার যে আদর যত্ন, ভালোবাসা পেতাম তা আবার পিরে ফেতাম আমার জিবনে। তখন খেলতে গিয়ে সামান্য ব্যাথা ফেলেও বলতো আমার খোকা কত ব্যাথা ফেল। আর যখন হাটতে গিয়ে পড়ে যেথাম এবং কাঁদতাম তখন মা  বলত বাবা কেদো না বড় হলে ভালো হয়ে যাবে। সেই সময়টি

Asim sarker  প্রথাবিরোধী কবি

বিশারদ

আমাকে যদি অতীতে ফিরে যেতে দেওয়া হয় তাহলে আমি ফিরে যাব আমার স্কুল জীবনেি ঐ জীবনে থাকতে আমি বন্ধুদের সাথে ডাব চুরি করতাম, কত না দুষ্টুমি করতাম, এবং সকল বন্ধুরা এক একজন মেয়ের সাথে দুষ্টুমি করতাম, এবং প্রেম করতাম,

ছেলেবেলা কারন বাবা মাকে নিয়ে পরিবারে থাকতে পারতাম।আদর ভালবাসা স্নেহ মমতার কোন কমতি থাকত না।নামাজ রোজা পরতে পারতাম।কোন টেনসন থাকত না তাই খুব মিস করি ছেলে বেলাকে

স্কুল লাইফ কে বেঁছে নেব...কারন সে সময় টা আমার কাছে অনেক মজার ছিল।আর এক্টা কারন যে মানুষ টাকে ভালবাসি তাকে তখন থেকে ভালবাসতাম।তাহলে আরো কিছুটা বেশি সময় ভাল মানুষ টার সাথে কাটাতে পারতাম :)

স্কুল জীবন। কারন এ মত মাস্তিময় সময় জীবনে ২য় বার আসে না। 

ক্লাস নাইনকেই বেছে নিতাম, কারন জীবন্টাকে প্রতিষ্ঠা করার ভিত্তি হলো এই সময়টা যা এখন বুঝতে পারি। মুখস্ত বাদ দিয়ে শেখার চেষ্টা করতাম।।

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি আমার ছোটবেলাকেই বেছে নিবো। কারন তখন ছিলাম আমি নিরীহ নিস্পাপ ছিলাম। কাওকে কস্ট দিতাম না। কারন তখন তো সেটা বুঝতাম ই না। 

Hasanuzzaman  আমি কোন সেলিব্রেটি নয় যে আমার ইয়া লম্বা একটা বায়ো ডাটা থাকবে...

মহাগুরু

ভাগ্য এক মাত্র মহান আল্লহর দান... যা পরিবর্তন করা যায় না ... যদি মহান আল্লহর আমাকে অতীতে যেতে দিতো তাহলে  আমি  ১১/০৯/২০১২ তারিখে যেতাম  আর আমি বাবাকে  বলতাম আমি পরীক্ষা দিতে না যেয়ে... আমার মায়ের সাথে ঢাকা যাব আর ১২/০৯/২০১২ তারিখ  পর্যন্ত আমার মা এর কাছে থাকতাম .... তাহলে আমার মায়ের মৃত্যুর সময়  তার কাছে থেকে তার মুখখানি অন্তত দেখতে পারতাম ......

আমার মায়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, আল্লহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন...... (আমিন)

Shaikh Mahmood  আবেগপ্রবণ, খামখেয়ালি স্বভাবের

জ্ঞানী

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে কৈশোরের সময়কে বেছে নিতাম।

আমার মতে মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে কৈশোর। কিশোর বয়স স্বপ্ন দেখার বয়স , স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করার বয়স। আবার ভুল পথে পা বাড়ালে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার বয়স। আমার মতে একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠনের শ্রেষ্ঠ সময় এই কৈশোর ।

কৈশোরে ফিরে যেতে পারলে স্কুল ছুটির দিনে সারা দিন মাঠে খেলতাম, অবসর সময়ে নানা রকমের বই পড়তাম, বাবা-মার সাথে নানা জায়গায় ঘুরতাম। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায়, পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির চেয়ে কোন বিষয় ভালোভাবে বোঝার প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতাম। আর এইসব গুলোই আমাকে ভবিষ্যতে একজন সফল মানুষ হিসাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করতো।

ছবি :  প্রথম আলো

অঞ্জন আচার্য  সাহিত্যকর্মী

জ্ঞানী

অতীতের সব স্মৃতি নয়। আমি স্মৃতিতে ফিরতে চাই। যে স্মৃতি সুখময় তাকে নিয়ে বাঁচতে চাই। আমার ফেলে আসা অতীতে অনেক কষ্ট আছে, গ্লানি আছে, অনেক অনেক না-পাওয়া আছে। আমি সেখানে আর ফিরে যেতে চাই না...

আমি অবশ্যই আমার বাল্যকালকে বেছে নেব।কারন ঐ জীবনটা ছিল অনেক মধুর, শুধুই খেলাধুলা আর দুষ্টুমিতে পরিপূর্ণ।

Atiq Ashhab Akash  

গুণী

অতীতে যাওয়ার যদি সুযোগ থাকতো তাহলে আমি ১৯৭১ সালে যুদ্ধে চলে যেতাম আর যুদ্ধ করে একটি মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট নিতাম কারন চাকরীর বাজারে সফল হতে হলে সেটা একান্তই জরুরী এমনকি এটা আগামী শত প্রজন্ম পর্যন্ত জরুরী।

সিফাত-ই-জান্নাত  উড়াল পঙ্খি

জ্ঞানী

আবার এইচ এস সি পরীক্ষা দিতাম , রেজাল্ট টা খুব খারাপ হয়েছিল যা মনে হলে এখনো আত্মাটা পুড়াই :(

Rashedul Islam Rubel  আমি একজন সাধারণ মানুষ

গুণী

আমি আমার স্কুল লাইফ এ ফায়ার যেতে চাই , কারণ তখন কার জীবন তা সিলো আনন্দ ময় এবং দুঃচিন্তা হীন .

মো: ইশতিয়াক হাসান  সমাজসূত্রে পাওয়া দৃষ্টিভঙ্গিকে বাদ দিয়ে, নিজের মত করে পৃথিবীটাকে দেখতে চাই।

জ্ঞানী

আমি যেতে চাই ক্লাস 9-10 এ। কারণ স্কুল ফাকি দিয়ে বন্ধুরা সাইকেলে করে দুরে কোথাও চলে যেতাম। নদীর পাড়, রেলস্টেশন, সিনেমা হল, ডাকাতিয়ার বিল, রুপসা ব্রীজ, ষাট গম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর মাজার, অলিগলি.... যেখানে সাইকেলের চাকা ঘুরত সেখানেই চলে যেতাম। আমার জিবনের একটা শ্রেষ্ট সময় ছিল এটা। ক্লাস 9 এ প্রথম সাময়ীক পরীক্ষায় 5 টা সাবজেক্ট এ ফেল করেছিলাম। পরে S .S.C অবশ্য A + পেয়েছিলাম। (প্রশ্ন কর্তাকে এরকম সুন্দর একটা প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।)

শাকিল  আমি প্রতিনিয়ত মন খারাপের স্বর্গে ভেসে বেড়াই ....

গুরু

ছেলে বেলা ঠিক স্কুল শুরুর আগের সময়টা | খাও আর ঘুমাও | একদম টেনশন ফ্রি | যখন পরিবারের সবাই আমার শত আবদার আর বাহানা পূরণে ব্যস্ত .....

অসীম দাস অমিত  পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পাপী

জ্ঞানী

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি ৮-১০  বৎসর বয়সে ফিরে যেতে চাই।

ঐ সময় ছিল আমার জীবনের সব থেকে সেরা সময়। প্রাইমারী স্কুলে যেতাম। পড়ার চাপ ছিল কম খেলতাম বেশী। অনেকগুলো বন্ধু ছিল। কত ধরনের খেলাই না খেলেছি তাদের সাথে। যারা ছিল প্রকৃত খেলার বন্ধু।বর্তমান সময়ের ফেসবুক বন্ধুদের মতো নয়। কোথাও বেড়াতে গেলে সেলফি উঠতাম না। কোথাও বেড়াতে গেলে ফেসবুকে লোকেশন চেক দিতে হতো না। মামার বাড়ি খুব বেড়াতাম। পূজার সময় নতুন শার্ট-প্যান্ট পেতাম। যার আনন্দ ছিল অসীম। আর এখন তো নিজের টাকায় কিনতে হয় যার কোন আনন্দ নেই।

গ্রাম ও বিদ্যালয়ের মধ্যে ভালো ছাত্র ছিলাম বলে সবাই আমাকে আলাদা চোঁখে দেখতো। গ্রামের মুরব্বিরা  এবং স্কুলের স্যারেরা আমাকে আদর করতেন। ঐ সময় আমি দেখতেও এখনকার থেকে একটু বেশি সুন্দর ছিলাম। বাড়ীতে কেউ বেড়াতে আসলে চকলেট, চিপস আনতেন।যাওয়ার সময় আবার টাকাও দিতেন। এখনতো এসবের কিছুই নেই।  খুব ভালো ছিলাম ঐ বয়সে।

ইসসসস........ আবার যদি ঐ বয়সে ফিরে যেতে পারতাম। 

Ahman  

জ্ঞানী

ছেলেবেলায়, কেননা তখন কোন স্বার্থচিন্তা ছিল না।

MD. RAJIB HOSSAIN  

জ্ঞানী

বাবার সাথে কাটানো সময়ে।তাকে খুব ভালবাসি তাই।

সাধুবাবা  ৫.১১ ফুটের এক সাধারন আমি।

জ্ঞানী

শিশুকাল এ যেতে চাই।কোন প্যারা নাই।খালি খাওন আর খাওন

১৪৫০ খৃষ্টাব্দের পরবর্তি সময়। যখন ইসলামের বিপ্লব ঘটে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর হাত ধরে। সেই সময়ে ফিরে মহান রসূলের একজন সাহাবী হিসেবে মৃত্যূ  বরণ করতে চাই।  হয়তবা অনেকের বুকেই রয়েছে এমন আশা

জীবন আবার ৪র্থ শ্রেনী থেকে শুরু করতাম। জীবনে করে ফেলা ভুল গুলোর জন্য এখনো তার মাশুল দিতে হয়। তাই আবার শুরু করতাম।যেহেতু অতিতে ফিরা সম্ভব না তাই বেশি কিছু বললাম না।

ছবিটি ছিল আমার জীবনের ভুল।

তুষার আহমেদ  এখনো বুঝতেই পারলাম না আমি কেমন মনের মানুষ !!

গুণী

obosshoi school life

amar school er teacher sir shamir babu. tar hat e 10 bochore  j koto mar kheyechi mone nei. amader biday onushthane sir jokhon joriye dhore kede fellen, shei muhurto jiboneo vulbo na. I love my school & my dear sir.

Humayon Ahmmed Himel  

জ্ঞানী

আমার ব্যার্থতার সময়ে ফিরে গিয়ে সেটার উপর পরিশ্রম করে সফলতা অর্জন করতাম

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

অতীতে ফিরে যাবার সুযোগ থাকলে আমি আমার স্কুল জীবনের সময়টাতে ফিরে যেতাম। সেই সময়টাতে আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় কেটেছিল।  পরাশুনার পাশাপাশি খেলাধুলা দুষ্টমি সব করেছি যেটা এখন আর চাইলেও হয় না

বেশতো বালক  আমি অগ্রগামী, আমি উদ্যমী, আমি নির্ভয়, আমি সাহস

জ্ঞানী

আমি শৈশবে ফিরে যেতে চাই।যেখানে রয়েছ হারানো স্বৃতি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে আমি  সবার প্রথম আমার ছোট কালে যেতে চাইবে কারন। ছোটবেলা অনেক মজা করতাম যেটা এখন পারিনা ছোটবেলায় অনেক বেশি বেশি বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি দুষ্টামি ফাইজলামি ইত্যাদি করতে পারতাম যেটা এখন চাইলেও করতে পারি না কারণ ছোটবেলা কোন বাধা থাকে না ছোটবেলা অনেক মধুর হয় যেটা বড় হযে আর থাকে না তাই আমি ছোটবেলায় যেতে চাই

ALOMGIR HOSSAIN  শিক্ষক

গুণী

মায়ের কোল শিশুকালে ফিরে যেতে চাইতাম

Md Shafaat Jamil Rokon  মেরুদণ্ডী প্রাণী !

গুণী

মায়ের গর্ভে ফিরে যাব।কারন  অন্তত  ৯ মাস কোনো শান্তিতে থাকতে  পারবো 

Sujon Hossain  

গুণী

আমার বয়স ১৭ তো আমি ৩ বছর বয়সে যাইতাম আর নতুন ভাবে শুরু করতাম

HZ MD Umor Faruk  

গুণী

তাহলে যৌবন কালে ফিরে যেতে চাই,কারণ যৌবন কালে ইবাদত আল্লাহ ও রাসুলের কাছে বেশি প্রিয়   এবং হাদিসে বলা হয়েছে  যারা যৌবন কালে খোদার ইবাদত করবে কেয়ামতে তাদের কে  আরশের নিচে ছায়া দিবেন

Aklima Rasul  

গুণী

স্কুলে পড়ার সময়টাকে।

কারন তখন অনেক সময় ছিল খেলার , বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর।

bulbul ahmed biplab  

গুণী

আমি ৫৭০ খ্রি ।  কারন সেই সময় হযরত মুহাম্মদ  ( স:)  জন্মে ছিলেন। 

Mr.Raihan  

গুণী

অতীতে সেরা সুযোগ থাকলে আমি আমার স্কুল লাইফের কথা স্কুল জীবনের দিকে ফিরে যাব সেখানে  ছুটে চলা স্যার দেব সাথে দুষ্টুমি সময়টা খুব মজার ছিল।

আর সময়টা বেছে নেওয়ার বড় কারণ আমার বড় কারণটি হচ্ছে আমার পিতা মাতা। আজ অনেক দূরে আছি তাদের কথা মনে পড়ে খুব,,,,,

Nil A Farhan  

গুণী

আমি অতীতে ফিরে যেতে চাই না। কারন,কথায় আছে উপর উয়ালা যাই করেন সব ভালোর জন্য করেন।তাই, আমি আমার বর্তমানকে সবসময় গুরুত্ত দেই,কারণ বর্তমানের কাজের মধ্যে লুকিয়ে আছে আমার ভবিষত্যের সাফল্য।

Md Arif  

গুণী

এক কথায় জীবন মানে অভিজ্ঞতা !তাই যদি অতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকে অভিজ্ঞতার আলোকে সেই সময় গুলো কে বেছে নিব যে সময়ে যে সব ভুলের কারনে আমরা মানসিক ভাবে মৃত হয়ে গিয়েছিলাম।বা জীবন যুদ্ধে পিছিয়ে পড়েছিলাম। সব ভুল গুলো কে শুধরানো উচিৎ যেন জীবন টাকে আসলেই রঙিন করে নেয়া যায়  (আরিফ)

Arman Fahim  

গুণী

স্কুল জীবনে ফিরে যেতে চাই।

আমি মনে করি আমার জীবনে এর চেয়ে ভাল মুহূর্ত আর পাব না।

sabikun nahar  

গুণী

obossoi school life. onek sundor,pranobonto,nispap r sokoler valobasay ketece amr school life. school er protiti muhurto akhn amar jonno shikkhar khetro hisebe kaj kore. moner nispap sorolota k khub miss kori

আইনস্টাইনের যুগে যেতে চাই! ওকে ধরে আমাদের ঘরে আটকে রাখতাম। তারপর বুঝত কেমন লাগে? এত্ত কঠিন থিওরি কেউ দেয়। আমি ওখানে গেলে জীবনেও ওনাকে "আপেক্ষিক তত্ত্ব " দিতে দিতাম না। হুমমমম।

Sajib Rajbhar Bipen  

গুণী

ঘটে যাওয়া অতীত মনে পড়লে নিজেকে অনেক বোকা মনে হয়। মনের অজান্তেই বোকামীর জন্য হাসি পায় মনে মনে হাসি, প্রকাশ্য একা একা হাসলে অন্যেরা ভাববে এই বুঝি 49 হয়ে গেছে। শিশুকাল শৈশব কৈশর যৈবন পেরিয়ে বৃদ্ধকাল এখন যৈবনে থাকিলেও আমার কাছে শ্রেষ্ঠ সময় ছিল কৈশর কাল (স্কুল জীবন) এই কালটাতে জীবনের অনেক স্বাদ পাওয়া যায় এই স্বাদ দিয়েই যৈবন ও বৃদ্ধকালের ভবিষৎ গঠন করা যায়। কৈশরের ভুল গুলোর কারনে জীবনের মার্কস গুলো কম। এখন ভাবি আবার যদি কৈশর ফিরে পেতাম সার্টিফিকেট গুলোর মার্কস অনেক অনেক ভাল করতাম।

অতিতে ফিরতে পারলে নিজের ভুলগুলো শুধরে নিতাম। জীবনে আমার কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্থ অথবা কষ্ট পেয়েছে সে কষ্টগুলো যেন না পেত তার ব্যবস্থা করতাম এবং যেখান থেকে ভুলের শুরু সেখান হতে জীবনকে আরেকটু গুঁছিয়ে নিয়ে সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করার মাধ্যমে নিজেকে উৎসর্গ করতাম।

Arman Fahad  

গুণী

২-৩ বছর বয়স। অত্যাধিক আদর পাওয়া যাবে!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

বাল্য কাল কেন না সকল ভুল সংশোধন করার চেষ্টা করবো। 

হাছীব  

জ্ঞানী

আমি আমার ছাত্র  জিবন ফিরে  পেতে চাই

Md.Rashidul Islam  আমি ভালোবাসার কাঙাল

গুণী

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে কৈশোরের সময়কে বেছে নিতাম।

কারণ ;

আমার মতে মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে কৈশোর। কিশোর বয়স স্বপ্ন দেখার বয়স , স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করার বয়স। আবার ভুল পথে পা বাড়ালে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার বয়স। আমার মতে একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠনের শ্রেষ্ঠ সময় এই কৈশোর ।

আবার জীবন টাকে নতুন করে সাজাতাম I

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে অবশ্যই আমি আমার হাই স্কুল লাইফ এ ফিরে যাবো কারণ এই সময় টা কাটানোর বর্ণনা লিখে শেষ করা যাবে নাহ . এই সময়কার কতো মধুর মধুর স্মৃতি আজও হাতছানি দিয়ে ডাকে ওই সময় কার বন্ধুদের সাথে কাটানো সময় টাই ছিলো বেস্ট  ..... .......

Ataullah Ahmed  

গুণী

আমি অতীতের ওই সময়টাকে বেছে  নিবো , যখন ডান  পায়ের জুতা বাম পায়ে পড়তাম ,আর বাম পায়ের জুতা ডান পায়ে পড়তাম ,বাবার হাত ধরে এক পা দু পা করে হাটতাম।

কারণ তখন কার সময়টা ছিল অনেক মজার,,,,যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না

সামিউল ইসলাম  সাধারণ একটা ছেলে

বিশারদ

অতীতে ফেরার সুযোগ থাকলে অামি অামার শৈশবকে বেছে নিবো। কারণ সকলের ভালোবাসা পাওয়া যায়। বিশেষ করে মায়ের অাদর শাসন পাওয়া যায়।  অার পৃথিবীতে বাবা মা হলো প্রথম শিক্ষক

অতিতে ফিরতে পারলে আমি ফিরতে চাইতাম আমার স্কুল লাইফটাতে।যেখানে রয়ে গেছে আমার জীবনের বড় বড় ভুলগুলো।যেই ভুলের কারনে আমি আজও দুটানায় পড়ে আছি।জীবনটাকে পরিচালনার জন্য একজন ড্রাইভারের প্রয়োজন হয়,আমার সেটা ছিলনা।ভাবতাম লেখা পড়া করলেই হইলো,কি পেলাম না পেলাম তা দিয়ে কিছুই আসা যায়না।কিন্তু এখন দেখি অতিতেই সব ভুল করে এসেছি,যদি সাইন্স নিয়ে পড়তে পারতাম তাহলে আজ পাইলট হয়ে যেতে পারতাম।ছোটবেলা থেকেই পাইলট হওয়ার খুব সখ ছিল,কিন্তু বাবা মার অত টাকা নেই যে,পাইলট বানাবে।ইচ্ছেটা ছিল খেলার মত,কিন্তু সিদ্ধান্ত গুলো ছিল একটা বড় পাথরের মত,যা মাথায় তোলা বড়ই কঠিন।

ভুল সিদ্ধান্তের কারনে আমি এখন আমার বন্ধুদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছি।তাই বলছি আমি অতিতের স্কুলে ফিরে যেতে চাই।

Masud Khan  

গুণী

ছোটবেলায় ফিরে যেতাম । কারণ সবার আদর ভালবাসা আবার আগের মত করে পেতে চাই। আরও ফিরে যেতে চাই কারণ যে ভুলগুলো করেছি তা যারে আর না করি।

অতীতে ফেরার সুযোগ পেলে আমি ১৯৯০ সালে ফিরে যেতে চাইবো। সেই সময়ে গিয়ে যদি আমার ভালোবাসার মানুষটির সাথে দেখা করতে পারি, তাহলে তাকে আপন করে পাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকবে।

বাল্য বন্ধুদের সাথে+ভাইবোন মিলে মিশে থাকার সময়টাকে খুব ফিল করি

মিনহাজুল ইসলাম  মায়ের আদরের ছেলে ।

গুরু

২০০৮ এর জানুয়ারীর ১৫ তারিখে

Amir Hossin Robin  

জ্ঞানী

obosshoi school life. 

amar school er teacher sir shamir babu. tar hat e 10 bochore  j koto mar kheyechi mone nei. amader biday onushthane sir jokhon joriye dhore kede fellen, shei muhurto jiboneo vulbo na. I love my school & my dear sir.

Manik  

গুণী

শিশু কাল। 

সবার ভালবাসা পাব।

Kazi Tanvir  

গুণী

যদিও অতীতে ফিরে যাওয়া সম্ভব না 

তারপরেও মন চায় ক্লাস সিক্সে ফিরে যাই 

কারণ ক্লাস সিক্সে থাকা অবস্থায় আমার পরিবার একটা সমস্যায় পড়ে, তখন আমি পুরোপুরি ভেঙে পড়ি,তখন কোন কিছুতেই মন বসেছিল না।

শুধু চিন্তা করতাম ভবিষ্যতে কি হবে। আর চিন্তা করতে করতে পড়ালেখায়ও মন বসাতে পারিনি 

ঠিকমতো পড়ালেখা না করায় এখন আমার জীবন অনিশ্চয়তায় পড়ে আছে ।

তাই অতীত ফিরে পেলে সবকিছু আবার নতুন করে শুরু করতাম।ভালো করে পড়ালেখা করে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবারের সব সমস্যার সমাধান করতাম।

স্কুল জীবনে ফিরে যেতাম, আজ কেন যেন বড় এক এক লাগে। 

২০১১ সালটাকে বেছে নিতাম।কারন তখন থেকে পড়ালেখায় ডাউন খাওয়া শুরু করেছিলাম।যদিও আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে এখন অনেকটা কাটিয়ে উঠেছি।এখন পড়ালেখা নিয়ে যতটা সিরিয়াস আছি এবং তার মূল্য যতটা বুঝি তখন তার ভগ্নাংশও ছিলাম না এবং বুঝতাম না।।তখন যদি এখনকার মত এত সিরিয়াস থাকতাম তাহলে অনেকটা এগিয়ে যেতাম।কিন্তু এখন এই অবস্থাতেই আমি খুশি।।।

Md Shimul Rana  

গুণী

ছোট বেলার সময়, কারন তখন কোন প্যারা ছিল না


অথবা,