Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ১৭ টি উত্তর আছে )

( ৩০,২৮৬ বার দেখা হয়েছে)

Md. Ashiquer Rahaman  ফ্রিলান্স নাট্যকর্মী ও মাইম শিল্পী (নাটুয়া, সমীকরণ এবং বিন্দুবিকাশ থিয়েটার) https://www.facebook.com/Dolon.ctg10

পন্ডিত

রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে সহজ ও সুবিধার টিপস্ হলো যত বেশী সম্বভ শশা ও কাঁচা রসুন খাওয়া। কাঁচা রসুন নিয়মিন থাওয়ার ফলে রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল আসে না। এবং হার্ট স্ট্রোক এর ঝুঁকি অনেক কমে।

মনজুরুল  পুলিশকে পাশে পেতে হেলমেট পড়ুন।

মহাগুরু

চরবি যুক্ত খাবার ছেড়ে দিতে হবে, আশ যুক্ত খাবার খেতে হবে, প্রচুর শশা খাওয়া যেতে পারে,সয়া প্রোটিন এক্ষেত্র উপকারী, ধূমপানকে না বলুন, নিয়মিত exercise ও অবশ্যই বিশ্রাম নিতে হবে ... ডাক্তারের পরামশ ছাড়া ঔষধ খাবেন না।

////  

গুরু

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তনের মাধ্যমে শরীরের কোলেস্টেরল ও চর্বি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।যেকোনো আঁশজাতীয় খাদ্য চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া চর্বিযুক্ত খাবার কম গ্রহণ করতে হবে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার ও ভাজাপোড়াজাতীয় খাবার কম খেলে এমনিতেই অনেক চর্বি কম খাওয়া হয়। গরু-খাসি-হাঁসের মাংস কম খাওয়া বা না খাওয়া কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ভালো উপায়।ধূমপানের অভ্যাস থাকলে অবশ্যই বাদ দিতে হবে, পাশাপাশি শরীরের ওজন যদি বাড়তি থাকে তা কমাতে নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ মিনিট করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন জোরে জোরে হাঁটতে হবে।বাসার টুকটাক কাজ নিজের হাতে করার অভ্যাস করতে হবে। যদি এতেও কোলেস্টেরল না কমে সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ওষুধ গ্রহণ করতে হবে,যদিও ওষুধ ছাড়াই আগে প্রাণপণে চেষ্টা করা উচিত।

অবাক আমির  বিশ্ব সংসারের তাবৎ সৃষ্টি'ই আমাকে অবাক করে ।

বিশারদ

কোলেস্টেরল প্রোটিনের সঙ্গে আঁতাত করে ‘লিপোপ্রোটিন’ নামে রক্তে ঘুরে বেড়ায়। অদ্রবণীয় কোলেস্টেরল প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দ্রবণীয় রূপ ধারণ করে এবং রক্তের মাধ্যমে কোষে পৌঁছায়। কোলেস্টেরল যখন উচ্চ ঘনত্বের প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয় তখন তাকে বলে এইচডিএলসি (হাইডেনসিটি লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল) এবং হালকা বা কম ঘনত্বের প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে বলে এলডিএল (লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন)। সাধারণত রক্তে অবস্থিত মোট কোলেস্টেরলের ২০ থেকে ৩০ শতাংশই এইচডিএলসি আর বাকি অংশের বেশির ভাগই এলডিএলসি। অনুমোদিত কোলেস্টেরল সীমা ২০০ মিলিগ্রাম/ডেসি লিটার। .... এবার আসি নিয়ন্ত্রনে রাখার কয়েকটি উপায়ে- ১. প্রথমত এলডিএলসি কমাতে হবে । ২. ওষুধ রাতে খাওয়া উচিতঃ মানুষের শরীরের বেশির ভাগ কোলেস্টেরল তৈরি হয় মাঝরাত থেকে ভোর রাত ৩টার মধ্যে। ৩. দ্রবণীয় আঁশজাতীয় খাবার, পেকটিন এবং গাম এলডিএলসি কমাতে সাহায্য করে। দিনে দুইবার ৫ গ্রাম করে ইসবগুলের ভুসি খেলে এলডিএলসি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে। দিনে দুটি বাতাবি লেবু (শুধু রসায়ন) খেয়ে এলডিএলসি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা কোনো ব্যাপারই নয়। ৪. ননীযুক্ত দুধ এলডিএলসি কমায়ঃ দুধের প্রোটিন কেসিনে ট্রিপটোফেন থাকে, যা নিয়াসিনে রূপান্তরিত হয়ে এইচডিএলসি বাড়াতে সাহায্য করে। .... সূত্রঃ ডা. লুলু বিলকিস বানু

Masud Titon  

গুণী

কথায় বলে , খাটলে শরীর খাটি ,না খাটলে মাটি I তাই কঠোর পরিশ্রম করলে এবং কোলেস্টেরল মুক্ত খাবার ( যেমন কলিজা ) কম খেলে রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে I

ঘরে তৈরি সহজ পাচ্য খাবার খেতে হবে । বাহিরের খাবারকে ''না'' বলতে হবে। রাগ , ক্রোধ এবং দুশ্চিন্তা করা যাবে না । যোগ ব্যায়াম করতে হবে।

বাংলার বেদুঈন  মানুষের অফুরন্ত সম্ভাবনায় বিশ্বাস হারাতে নেই

মহাগুরু

মানব শরীরে সাধারণত দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে। একটি হল HDL যা শরীরের জন্য উপকারী আর স্বাভাবিক ভেলু হচ্ছে>৪০/ dl এবং অন্যটি হল LDL যেটা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর যার স্বাভাবিক ভেলু হচ্ছে< ১৩০/dl। একজন মানুষের শরীরে HDL যত বাড়বে এবং LDL তত কমবে। আসলে LDL এবং HDL একটি ভারসাম্য রক্ষা করে চলে। HDL যত বেশী হবে দেহের জন্য তত মঙ্গল। জীবন যাত্রার কিছুটা পরিবর্তন এবং খাবার দাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আনা সম্ভব। গরুর মাংস, মুরগির কলিজা ও চামড়া, ডিমের কুসুম, আইসক্রিম, দুধের সর, খাশি বা গরুর কলিজা খাওয়া বাদ দিতে হবে এবং মিষ্টি ও চকলেট জাতীয় খাবার যত সম্ভব কম করে খেতে হবে। সপ্তাহে ৫ দিন প্রতিদিন ৪৫ মিনিট জোরে হেটে ব্যায়াম করতে হবে। ঘি'য়ে তৈরি খাবার পুরোপুরি বর্জন করতে হবে। সর্বোপরি নিজেকে ভালবাসতে হবে। বুঝতে হবে জীবন আমার এবং আমাকেই বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করতে হবে। অন্যরা আপনাকে উপদেশ দেবে, হয়ত অর্থও দেবে কিন্তু মুল কাজটা আপনাকেই করতে হবে। ভাল থাকুন।

তাওহীদুর রহমান  সরল, সাধারণ, অসাধারণ!

গুরু

জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে: খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। খোসাসহ সবজি খাওয়া ভালো। খাদ্যতালিকা থেকে প্রাণিজ চর্বি বাদ দিতে হবে, যেমন—খাসির মাংস, গরুর মাংস, মুরগির চামড়া, কলিজা, মগজ, মাছের ডিম, ডিমের কুসুম, চিংড়ি মাছ প্রভৃতি। রান্নায় কম তেল দিতে হবে। তেলে ভাজা খাবার কম খেতে হবে। ভাপে সেদ্ধ, গ্রিলড খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। ঘি, মাখন, পনির, মেয়নেজ, সালাদ, ড্রেসিং খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিতে হবে। রিফাইন্ড খাবার বাদ দিয়ে র খাবার খেতে হবে (যেমন- জুসের বদলে ফল, ভুসিসহ লাল আটা)। শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ মিনিট করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন জোরে জোরে হাঁটতে হবে। বাসার টুকটাক কাজ নিজের হাতে করার অভ্যাস করতে হবে। কাছাকাছি জায়গায় রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে। তামাক বাদ দিতে হবে। ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। জীবনযাত্রার অভ্যাস পরিবর্তনের দু-তিন মাস পরও যদি রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে ওষুধ খেয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, যাদের পারিবারিকভাবে রক্তে অধিক কোলেস্টেরলের প্রবণতা আছে, তাদের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা অন্যদের চেয়ে অনেক কঠিন। তাই তাদের অনেক বেশি চেষ্টা করতে হবে। বাজারে তিন-চার রকমের কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ আছে। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার জন্য যেটা উপযোগী, তা খেতে হবে। ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাত্রার অভ্যাসগুলোকেও মানতে হবে। রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হূদরোগ, ব্রেইন স্ট্রোক ও কিডনি ফেইলরের ঝুঁকি এড়াতে পারেন। মনে রাখতে হবে, প্রতিরোধ সব সময়ই প্রতিকারের চেয়ে ভালো। বিস্তারিত জানতে: http://banglahealth.evergreenbangla.com/2601

নিযমিত ব্যায়াম,চর্বিযুক্ত খাবার কম খেতে হবে.............

মিজানুর রহমান (মামুন)  আমার অন্তহীন অপেক্ষা...........

পন্ডিত

শারেরিক কসরত করা , এর কোনো বিকল্প নাই

মো. নজরুল ইসলাম, প্রকাশক, সৃষ্টি প্রকাশনী  দেশ ও মনুষের কল্যাণে: https://www.facebook.com/SristyProkashony

পন্ডিত

উদ্দ্বিদ এর উপর নির্ভরশীল হতে হবে.

Lutfun Nessa  সবই অনিশ্চিত, মরিব এটা নিশ্চিত:(

মহাগুরু

উত্তর: রক্তে কোলেস্টরল কমাতে হলে আপনাকে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে. যেমন: তেল-চর্বি জাতীয় খাবার, কোমল পানিও, ননীযুক্ত দুধ, মিষ্টি দই, সব ধরণের ফার্স্টফুড খাওয়া ত্যাগ করতে হবে. উল্লেখ   যাদের ধূমপান ও মদপানের অভ্যাস  আছে তাদেরও এই মহৎ অভ্যাসটি ত্যাগ করতে হবে. 

আর যা খাবেন তা হচ্ছে: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২-৩ কোয়া কাঁচা রসুন, লেবুর রস ও লেবুর শরবত, খাবারের সাথে সালাদ (লেবু, শশা, কাঁচা মরিচ, পিয়াঁজ ইত্যাদি দিয়ে), খাবার ১ ঘন্টা পরে দিনে ৩ বার গ্রীন টি পান করতে পারেন.   প্রতিদিন আপনার খাদ্য তালিকায়  একটা করে কলা ও একটি দেশীয় ত্বক ফল যোগ করতে হবে. 

প্রতিদিন নিয়মিত শরীর চর্চা করতে হবে. আশা করি এগুলো পালন করলে আপনার রক্তের কোলেস্টরল হ্রাস পাবে এবং আপনি থাকবেন  ডায়াবেটিক, হার্ট এট্যাক, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা থেকে আশংকামুক্ত.

শুভেচ্ছান্তে..............................

মকসুদা হালিম  জন্ম আমার শ্রাবণ মাসে, পূর্ণিমার রাত-- / ফুলের বাগান গড়ে ওঠে যেদিক বাড়াই হাত !

পন্ডিত

রক্তে কোলেস্ট্রোলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বা কমাতে মাংস খাওয়া বাদ দিয়ে মাছ খেতে হবে । মাছের তেল খুব উপকারী । বাদাম , চিনা বাদাম , আদা- রসুন কাচা খাওয়া যথেষ্ট উপকারী । চর্বি , হাঁস-মুরগীর চামড়া , গরু-খাসির ভুড়ি , নারকেলের দুধ , ঘি , মাখন ,মগজ- কলিজা , পুঁই শাক, পালং শাক --একদম বর্জন করতে হবে । সামুদ্রিক মাছ --খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে ভালো কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ।

Helen Ahmed  হেলেন একটি ফুলের নাম. আমি এক জন মা, এটি আমার বড় পরিচই

মহাগুরু

Preview রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভালো চর্বি মুখত খাবার খেতে হবে, আর ডাক্তার এর পরামশ অনুযায়ী অসুধ খেতে হবে/

চর্বি যুক্ত খাবার পরিহার করা , নিয়মিত বেয়াম করা .

মিনহাজুল ইসলাম  মায়ের আদরের ছেলে ।

গুরু

প্রতিদিন খালি পেটে ১কোয়া কাঁচা রশুন খান।


অথবা,